প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার গ্রুপ কোম্পানিজের প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: প্রিমিয়ার গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. এইচবিএম ইকবালকে জড়িয়ে বাণিজ্য বার্তা পত্রিকায় ১ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রকাশিত “প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালের পে-অর্ডার অবরুদ্ধ” শীর্ষক প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রিমিয়ার গ্রুপ অব কোম্পানিজ। ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ইসুকৃত এক প্রতিবাদপত্রে প্রতিষ্ঠানটি সংবাদটিকে “তথ্যগতভাবে অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন” বলে দাবি করেছে।

প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, উক্ত প্রতিবেদনে প্রিমিয়ার গ্রুপ অব কোম্পানিজের অবস্থান বা প্রতিক্রিয়া জানা ছাড়াই সংবাদ প্রকাশ করায় তার যথার্থতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এবং এতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তারা মনে করে, সঠিক তথ্য উপস্থাপন জরুরি ছিল।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রিমিয়ার গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে ন্যাশনাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সঙ্গে নিয়মিত ব্যাংকিং সম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে তিনটি ব্যাংকের ঋণ হিসাবের কিস্তি পরিশোধের উদ্দেশ্যে তাদের চারটি কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ২৮৭ কোটি টাকার পে-অর্ডার প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখা থেকে ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সুদ–সংক্রান্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পে-অর্ডারগুলো সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসাবে জমা দেওয়া হয়।

তারা স্পষ্ট করেছে, পে-অর্ডারগুলো ছিল শুধুমাত্র ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য ব্যবহৃত ব্যাংকিং ইন্সট্রুমেন্ট। এতে অর্থ উত্তোলন, টাকা স্থানান্তর বা অন্য কোনো আর্থিক লেনদেনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সংবাদে উল্লিখিত তথ্য “ভুল, বিপরীতমুখী ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংকিং কার্যক্রম বিধি-বিধান অনুযায়ী এবং নথিপত্রের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্যভাবে পরিচালিত হয়েছে। সংবাদে উল্লেখিত অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর বা অর্থপাচার–সংক্রান্ত দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডের বিপরীত।

বিভ্রান্তি এড়ানোর স্বার্থে প্রতিবাদপত্রটি পত্রিকার যথাযথ স্থানে হুবহু প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ ও তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

Share: