বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্যক্লিষ্ট বাঙালিকে তিনবেলা আহারের ব্যবস্থা করেছেন: ড.কলিমউল্লাহ                                                                   

প্রেস ওয়াচ রিপোর্ট: শতবর্ষ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ১০২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষকালব্যপী জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ্ সেমিনারের ২৯৮তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন ইউএন ডিজএ্যাবিলিটি রাইটস্ চ্যাম্পিয়ন আবদুস সাত্তার দুলাল এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম তানভীর আহমেদ,ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক কাজী ফারজানা ইয়াসমিন,নীলফামারী-জলঢাকা থেকে ফাতেমা-তুজ-জোহরা, ও রংপুর থেকে আফসানা করিম।

সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন,রংপুর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আর্জিনা খানম, শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগী অধ্যাপক গবেষক আবু সালেক খান এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জ এর বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ এর অধীনে পিএইচডি গবেষণারত প্রশান্ত কুমার সরকার।

সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দারিদ্র্যক্লিষ্ট মানুষকে তিন বেলা আহারের ব্যবস্থা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি চর্যাপদ এর দুটি চরণ উদ্ধৃত করে বলেন, ‘টালত মোর ঘর

নাহি পড়বেশি

হাড়ীত ভাত নাহি

নিতি আবেশী।’তিনি আরো বলেন,

চর্যাপদের চরণ দুটিতে যে দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তা স্বাধীনতা-পূর্ব কালে এ বঙ্গেরই প্রতিচিত্র।আমাদের বাংলায় দারিদ্র্যক্লিষ্ট অবস্থায় পীড়িত সেই মানুষদেরকে বঙ্গবন্ধু তিনবেলা আহারের ব্যবস্থা করেছেন ।মাছে ভাতে বাঙালির সেই চাহিদা পূরণ করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

আব্দুস সাত্তার দুলাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রত্যেকটি ভাষণ ছিল দিক-নির্দেশনামূলক। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতার প্রতিটি ভাষণই ছিল অসাধারণ এবং বিশেষ বৈশিষ্ট্যমন্ডিত যা বিরল।

 

আর্জিনা খানম বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর মত দূরদর্শী নেতা তৈরি করতে হবে।

অধ্যাপক আবু সালেক খান বলেন, সিংহভাগ জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ উন্নয়ন নিশ্চিত করা না গেলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমৃত্যু সে ধরনের উন্নয়নে সচেষ্ট ছিলেন।

এসএম তানভীর আহমেদ,বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন প্রজন্মকে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

কাজী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত মান উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মেধাপাচার রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বদা ন্যায় বিচার এবং দেশপ্রেমে অটল ছিলেন ।

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন যশোর থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নুর এ আলম জাহিদ, চাঁদপুর থেকে তাহমিনা সাত্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিমরান ফেরদৌস সিঁথি।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন,রাজশাহী থেকে ডা.মনোয়ার ও বি-বাড়িয়া থেকে আইডিয়াল কিডস কেয়ার স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল বায়েজিদা ফারজানা।

Share: