ডেইলি প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ
শোক দিবস উপলক্ষ্যে ওয়েবেনার জুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। ড. কলিমউল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনের অধিকাংশ সময় কারাভোগ করেছেন। তাঁর কারাভোগের অন্যতম কারণ ছিলো মানুষের জন্য সংগ্রাম করা। এ আন্দোলন ও সংগ্রাম পরিচালনা করার কারণে তিনি শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন।
আলোচনায় সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন অর্ণব মুর্শেদ। তিনি বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন এবং হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।
শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভারতের কলামিস্ট এবং টিভি ব্যক্তিত্ব পিনাকী ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো। তাঁর ৭ ই মার্চের ভাষণ বাঙালী জাতির স্বাধীনতা অর্জন সহজ করে দিয়েছে। এছাড়া তাঁর ধর্মীয় সম্প্রীতির জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন। বাংলা ভাষার জন্য বাঙালীর যে আত্নত্যাগ তা এ স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে পরিপূর্ণতা লাভ করে।
আলোচনায় আরো বক্তব্য উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুর রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধু কর্তৃক উপস্থাপিত ৬ দফা নিয়ে আলোচনা করেন। অভিনেতা ও কবি শ্যামল জাকারিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন ক্ষণজন্মা পুরুষ। যাঁর অবদান বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমা আক্তার বলেন, বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে আঁকড়ে ধরে আমাদের সম্মুখে এগিয়ে যেতে হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করতে হবে।
রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা ‘র শিক্ষা বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক দিপু সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে মূলত একটি জাতির সত্ত্বাকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। যদিও সে জাতি সত্ত্বাকে পুনরুজ্জীবিত করতে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।
জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার, লেখক, ও গবেষক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জীববৈচিত্র নিয়ে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন নীতি ও উদ্যোগ্যের কথা তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) অধ্যাদেশ জারি করেন। পানি কূটনীতি সুদৃঢ় করার জন্য ১৯৭২ সালে তিনি জয়েন্ট নদী কমিশন গঠন করেন। জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার ও সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদ বাবলু বঙ্গবন্ধুর বাকি ৫ খুনীদের খুুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনার জন্য জোরালো দাবি পেশ করেন।
জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঞা বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করেছেন।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য উপস্থাপন করেন জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার যথাক্রমে জনাব আব্দুল্লাহ আল তোফায়েল, এস এম জুয়েল আহমেদ, শাহনেওয়াজ কবির, আফসানা সনি, ও কলকাতা থেকে শ্রীমতি অপরূপা মিত্র। এছাড়াও অত্র আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার শেখ আল আমিন, শাদেব হাসিন, জামাল মুস্তাফা সিন্দাইনি এবং কলকাতা থেকে স্নেহাশীস বর্মা।