Thursday, December 31st, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: December 31, 2020

করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। তবে অনলাইনে শিক্ষাদান কার্যক্রম চলবে। আজ বৃহস্পতিবার বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধনের সময় তিনি এই কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী সময়মতো বই বিতরণের ব্যবস্থা করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের পাঠ কার্যক্রম যেন  ঠিকমতো চলে সেজন্য আমরা করোনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি।‘

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে স্কুল শিক্ষার্থীরা। তারা যেন নতুন বইটা পায়, নতুন বইয়ে নিজের নামটা লিখতে পারে, নতুন বইয়ের মলাট ওল্টানোর আনন্দটা পায় সেই চেষ্টা আমরা করেছি।’.

বই বিতরণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

করোনার কারণে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্কুল খোলা সম্ভব না হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান চলবে।  ভর্তির ব্যবস্থাটাও অনলাইনে চলবে।

তিনি বাবা-মায়েদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা ছেলেমেয়েদের সময় দেবেন। তারা যেন খেলাধুলা করতে পারের সেই ব্যবস্থা করবেন। তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটা খেয়াল রাখবেন। তিনি সবাইকে মাস্ক পরার অনুরোধ জানান। তবে শুধু ঘরে বসে না থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সবাইকে খোলা ও আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় বের হওয়ার পরামর্শ দেন।.

বই উৎসব

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রাথমিক পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে এবং শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন।

আগামীকাল বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় বই বিতরণ শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে তিন দিন করে মোট ১২দিন প্রথম থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন বই বিতরণ করা হবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও যথাসময়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যে নতুন বই তুলে দিচ্ছে সরকার।

Posted by: | Posted on: December 31, 2020

কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের দায়িত্ব নিলেন শফিউদ্দিন আহমেদ

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ

Posted by: | Posted on: December 31, 2020

বই উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ প্রতিবছর গণভবনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসব উদ্বোধন করলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সকাল ৯টায় বই উৎসব উদ্বোধন করা হবে। পরে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বই তুলে দেওয়া হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘বই উৎসব প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়াল আয়োজনেই উদ্বোধন করবেন। তারপরের অংশ দুই মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের অধীনে। তারা সে সিদ্ধান্ত নেবে।’
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বই উৎসবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বই উৎসবে।
প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে বই উৎসব উদ্বোধন করতেন। আর পরদিন ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে অনুষ্ঠান করতো। কিন্তু করোনার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।

Posted by: | Posted on: December 31, 2020

উদ্বোধনের অপেক্ষায় পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম স্থলবন্দর

পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম স্থলবন্দর

২০১৭ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু করে দুই বছরের মধ্যে সেতুটি নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও করোনা মহামারিতে কয়েক মাস নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় দীর্ঘ ৩ বছর পর সেতুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হচ্ছে। সেতু নির্মাণ হওয়ার পরই বহু প্রতীক্ষিত বাংলাদেশের রামগড়-ভারতের সাব্রুম স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালু হবে।

বাংলাদেশের ১৫তম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম স্থলবন্দর এটি। অন্যদিকে ভারত সরকার দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সেভেন সিস্টারখ্যাত তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের গেটওয়ে হিসেবে দেখছেন রামগড় স্থলবন্দরটিকে।

ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানিশচন্দ্র আগারভাগ ইনপাকন প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ভারতীয় অর্থায়নে ৮২ দশমিক ৫৭ কোটি রুপি ব্যয়ে ২৮৬ একর জমির ওপর ৪১২ মিটার দীর্ঘ ও ১৪ দশমিক ৮০ মিটার প্রস্তের দুই লেন বিশিষ্ট এক্সট্রা ডোজড, ক্যাবল স্টেইড আরসিসি মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে। সেতুটিতে মোট পিলার রয়েছে ১২টি এরমধ্যে বাংলাদেশ অংশে নির্মাণ করা হয়েছে আটটি এবং ভারতের অংশে চারটি।

উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট ২০২০ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় খাগড়াছড়ির রামগড় থেকে হেয়াকে-বারৈয়াইয়ার হাট সড়কের জন্য ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পসহ সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।  প্রকল্পটিতে সরকার দেবে ২৬৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং ভারতীয় ঋণ ৫৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। তবে ইতোমধ্যে রামগড় বারৈয়ারহাট সড়কের বেশ কয়েকটি দুই লেন বিশিষ্ট ব্রিজ নির্মাণাধীন রয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম স্থলবন্দরজানা গেছে, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর সঙ্গে বৈঠকে রামগড়-সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্ত হয়। এরআগে ২০০৯ সালের ১৭ জুন ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার শ্রীমতি মুক্তা দত্ত রামগড়ের মহামুনিতে প্রস্তাবিত স্থলবন্দর ও ফেনী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেনী নদীর ওপর নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ নামে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন।রামগড় পৌর মেয়র মোহাম্মদ শাহজাহান কাজী রিপন জানান, মৈত্রী সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় দুই দেশের সীমান্তবাসীরা আশার আলো দেখছেন। দ্রুত বন্দর অবকাঠামো নির্মাণ হলে রামগড়বাসীসহ লাভবান হবে পৌরসভা। বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ কর্মসংস্থান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মাহমুদ উল্যাহ মারুফ বলেন, রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চ শিক্ষা, পর্যটন ও সাংস্কৃতি অঙ্গনের দুই দেশের মানুষ উপকৃত হবেন। সেতুটি নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে শিগগিরই উদ্বোধনের ব্যাপারে আলোচনা চলছে।

Posted by: | Posted on: December 31, 2020

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ করতে বললো সংসদীয় কমিটি

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন দ্রুত ছড়ানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের আকাশপথে যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ করতে বলেছে সংসদীয় কমিটি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যুক্তরাজ্যে করোনার যে নতুন ধরন পাওয়া গেছে তা বাংলাদেশে আছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। কিন্তু ফ্লাইট যেহেতু চলছে, আসার আশঙ্কা থেকে যায়। এ কারণে আমরা বিমান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ করতে বলেছি।

দেশে সংক্রমণের শুরুতে কোয়ারেন্টিন নিয়ে কিছু গাফিলতি অভিযোগ করে তিনি বলেন, কোয়ারেন্টিন যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে বলেছি আমরা।

ভ্যাকসিন নিয়ে মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করলো সংসদীয় কমিটি

মহামারির মধ্যে মাস্ক, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই), করোনাভাইরাস পরীক্ষার মতো অনিয়মের কথা তুলে ধরে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটি বলেছে, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখে জেলা সরকারি হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

কমিটির সভাপতি শেখ সেলিম বলেন, গত ২৪ মার্চ আমরা যে বৈঠক করেছিলাম সেখানে করোনাভাইরাসের প্রস্তুতি নিয়ে অনেক কিছুই বলা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর আমরা দেখলাম আমাদের প্রাথমিক প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল। মাস্ক আর করোনা পরীক্ষা নিয়েও কেলেঙ্কারি হয়েছে। ভ্যাকসিন নিয়ে আমরা এরকম পরিস্থিতি দেখতে চাই না।

তিনি বলেন, টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থা আগে থেকে নিতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি ডাক্তারদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। বেসরকারি খাতে এই টিকা দেওয়া যাবে না। যদি কেউ বিদেশ থেকে টিকা আমদানি করতে চায় তবে সরকারের অনুমতি নিয়ে করতে হবে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি জানান, শিশুদের উপযোগী করোনার টিকা যাতে বাংলাদেশ প্রথম থেকেই পায় সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশ্বের করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যে টিকা বের হয়েছে সেটি ১৮ বছরের নিচের মানুষদের দেওয়া যাবে না। সে জন্য আমরা টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি, যাতে বাংলাদেশ শুরু থেকে পায়।

এদিকে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কোভ্যাক্সের আওতায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে চার কোটি ৯০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া যাবে বলে কমিটিকে জানানো হয়।

শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মুহিবুর রহমান মানিক, মো. আব্দুল আজিজ, সৈয়দা জাকিয়া নুর, রাহগির আল মাহি এরশাদ ও মো. আমিরুল আলম মিলন বৈঠকে অংশ নেন।