Thursday, February 28th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: February 28, 2019

শুক্রবার ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি

অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস শুক্রবার ঢাকায় আসছেন। তিনি ইতিপূর্বেকার হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার স্থলাভিষিক্ত হবেন। শ্রিংলা গত ৭ জানুয়ারি বিদায় নেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত।নতুন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী এতদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কাউন্সিলের (আইসিসিআর) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৬ সালে ভারতের পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগদানের আগে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে অধ্যাপনা করেন।

দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে তিনি নিউইয়র্কে ভারতের কনসাল জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন মিশনে কাজ করছেন। রিভা গাঙ্গুলি ৯০ এর দশকের শেষ দিকে ঢাকায় ভারতীয় কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন।-ইত্তেফাক

Posted by: | Posted on: February 28, 2019

ভোলার চরাঞ্চলে মহিষ পালনে আগ্রহ বাড়ছে

ভোলা,  (বাসস) : জেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে মহিষ পালনে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুগ যুগ ধরে এসব চরে সনাতন পন্থায় মহিষ লালন হলেও সাম্প্রতিক আধুনিক পদ্ধতির ছোঁয়ায় মহিষের উৎপাদন বাড়ছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার চিকিৎসা সেবা পৌঁছে যাওয়ার ফলে রোগ-বালাইর কবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে মহিষ। বেড়েছে মাংস ও দুধের উৎপাদন। আধুনিক ও উন্নত ষাড় মহিষের মাধ্যমে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন জাত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার সাত উপজেলায় ছোট-বড় ৭০টি চর রয়েছে। যারমধ্যে গরু ও মহিষ চরার উপযোগী চর রয়েছে ৪৫টি। এসব চরে মহিষ রয়েছে প্রায় ১ লাখ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে এসব মহিষ পালন করা হয়ে আসলেও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মহিষ পালন ও মহিষের মৃত্যু ঠেকাতে না পারায় লোকসান গুনতে হতো মহিষ মালিকদের।
শীবপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর চরে মহিষ পালন করছেন মো: ইউনুছ মিয়া। তিনি বলেন, তারা ৩ পুরুষ ধরে মহিষ পালন করে আসছেন। বিগত দিনে মহিষের বিভিন্ন অসুখ বিসুখ লেগেই থাকতো। তাই অনেকে মহিষ বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে মহিষের সঠিক চিকিৎসা পাওয়ায় আবারো মহিষের প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তার শতাধিক মহিষ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল ইফাদের অর্থায়নে পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের পেইজ প্রকল্পের সহযোগিতায় উন্নত পদ্ধতিতে মহিষ পালন ও জাত উন্নয়নে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা চরে উন্নত জাতের ষাড় মহিষ ও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। যার ফলে মহিষের আন্ত:প্রজনন রোধ হচ্ছে ও মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে বলে জানান মহিষ মালিকরা। অধুনিক চিকিৎসা সেবা ও উন্নত জাতের ষাড় মহিষ পেয়ে মহিষ মালিকরা বেজায় খুশি।
মহিষ পালন কারী চরের আব্দুল হাই, আব্দুল সত্তার ও সিরাজ উদ্দিন সহ অনেকে জানান, আগে মহিষ পেলে করে তেমন সুযোগ সুবিধা পাওয়া যেতনা। বিশেষ করে মহিষের অসুখ-বিসুখ হলে চিন্তায় পড়তে হতো কিন্তু এখন অনেকটা হাতের নাগালে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা। তারা আরো জানান, গত এক বছর ধরে মহিষের মৃত্যু কমে গেছে। উন্নত ষাড় দ্বারা মহিষের প্রজনন করায় স্বাস্থ্যসম্মত বাচ্চাও পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ভোলার চরাঞ্চররে মহিষের চিকিৎসা ও পরামর্শ পাওয়ার কারণে দিন দিন মহিষ পালন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চরাঞ্চলের মহিষ পালনে উজ্জল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের বাসস’কে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চরাঞ্চলে মহিষ পালন বেড়েছে। আমরা বিভিন্ন ধাপে পর্যবেক্ষন করে আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত মহিষ পালনে সফলতা অর্জন করেছি। ভবিষ্যতেও এ প্রকল্পকে আরো প্রসার ঘটানোর চিন্তা রয়েছে।।
জেলার (ভারপ্রাপ্ত) প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র মজুমদার বাসস’কে বলেন, বর্তমান সময়ে মহিষ পালন অনেক প্রসার লাভ করেছে। গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা আমাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। কারণ, জনবল সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্র দুর্গম এলাকায় যাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে। কিন্তু ওই সংস্থার লোকজন দুর্গম এলাকা গিয়ে মহিষের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমার ম্যাসেজ দেয় যারফলে আমরা খুব দ্রুত সমস্যা সমাধানে এগিয়ে যেতে পারি।
তিনি আরো বলেন, দ্বীপজেলা ভোলায় প্রতিদিন ৫০০ মেট্রিক টন গরু ও মহিষের দুধের উৎপাদন চাহিদা রয়েছে, যার বিপরীতে জেলায় উৎপাদন হচ্ছে ৪২০ মেট্রিক টন। এখানকার মহিষের দুধ বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় যায়। বিশেষ করে মহিষের দুধের দধির খ্যাতি রয়েছে দেশজুড়ে।

Posted by: | Posted on: February 28, 2019

একজন কার্ডিয়াক সার্জন ডাঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর গল্প

ফারহানা হকঃ


এক সপ্তাহ যাবৎ আমার শরীরটা খুব দুর্বল লাগছিল।বুকের বাম পাশে খুব চাপ অনুভব করছিলাম।মনে হচ্ছিল বাম পাশটি কাঁপছিল। মাঝে মাঝে খুব বুক ধরফর করছিল। প্রেশার হাই হওয়ার কারনে একটু ভয় পাচ্ছিলাম।গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অফিসে যাওয়ার পর আমার বুকের বাম পাশটির কম্পন আরো বেড়ে গেল।অগ্যতা সচিবালয়ের ভিতরে ক্লিনিকের ডাক্তারকে আমার অফিস রুমে ডেকে আনা হলো।


তিনি প্রেশার মাপলেন প্রেশার হাই কিন্তুু আমার হার্ট বিট অনেক কম। তিনি আমাকে দ্রুত একজন কার্ডিওলোজিষ্টকে দেখানোর পরামর্শ দিলেন। তখনই আমার চোখের সামনে ডাঃ সাবরিনার মুখটা ভেষে উঠলো।বাংলাদেশের একমাত্র মহিলা কার্ডিয়াক সার্জন সাবরিনা। ভাবলাম হৃদপিন্ডটি যদি কাঁটা ছেড়া করতে হয় তাহলে সাবরিনাকে দিয়েই সে কাজটি করবো।আমি একজন নারী তাই আমার হৃদপিন্ডটাকে একজন নারী সার্জন দিয়েই পরীক্ষা করাবো। সাথে সাথেই ডাঃ সাবরিনাকে ফোন করলাম। ওপাশ থেকে সুন্দর নারী কন্ঠের আওয়াজ আপু আপনি কেমন আছেন? আমি বললাম সাবরিনা আমি আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি তবে আমার হার্টটি ভাল নাই আমি আমার হার্ট কে তোমাকে দেখাতে চাই।সাবরিনা বললো আমি আপনার না আসা অবধি আমার চেম্বারে অপেক্ষা করবো। আমার অফিস সচিবালয়ে আর সাবরিনার চেম্বার গুলশান। আমি ৫.৩০ মিনিটে রওয়ানা দিয়ে ওর চেম্বারে পৌঁছালাম রাত প্রায় ৯ টায়। এর মাঝে সে একাধিকবার আমাকে ফোন দিয়ে আমার শরীরের কন্ডিশন কি জানলো।সাবরিনা দেখতে যে রকম সুন্দর ডাঃ হিসেবেও অসাধারন। ওর ব্যবহারে যে কোন রোগী অর্ধেক সুস্থ্য হয়ে যাবে।

সাবরিনা আমার বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা নিরিক্ষা করলো।তারপর বললো আপু আপনার মত সুখী মানুষের হার্টের কোন সমস্যা হতে পারে না বিভিন্ন রকমের ওষুধ খাচ্ছেন তাই যে কোন কারনে আপনার হার্টবির্ট কমে যেতে পারে। তবুও মনের শ্বান্তনার জন্য ও আমাকে এক্সেরে, ইসিজি ও ইকো করার পরামর্শ দিল।শান্তিনগর পপুলার হসপিটালে প্রফেসর ডাঃ চৌধুরী মেশকাত আহমেদকে দিয়ে ইসিজি এবং ইকো করানোর জন্য। আমি গতকাল বিকেলে যথারীতি পপুলার হসপিটালে যাই।সিরিয়ালে বসে আছি।হঠাৎ সাবরিনার ফোন আপু আপনি কোথায়? আমি আমার অবস্থান জানালাম। কিছুক্ষনের মধ্যেই ডাঃ মেশকাত সাহেবের অ্যাসিস্টেন্ট এসে আমার কানে মুখে বললেন ম্যাডাম আপনি ফারহানা হক? আমি বললাম জি।কিছুক্ষণের মধ্যে ইকো রুম থেকে ডাক পরলো।

ভিতরে গেলাম ডাক্তার বলললেন সাবরিনা ফোন দিয়েছে আপনাকে স্পেশাল ভাবে ইকো করানোর জন্য। ডাক্তার সাহেব খুব যত্ন নিয়ে আমার ইকো করলেন এবং বললেন আপনার ইকো এবং ইসিজি রিপোর্ট ভাল। কোন চিন্তা করবেন না।সাবরিনার দেয়া ওষুধগুলো খেয়ে যেতে বললেন। আমার এত কিছু লেখার সারমর্ম হচ্ছে নারী কার্ডিয়াক। ডাঃ সাবরিনা একজন খুব ভাল কার্ডিয়াক সার্জন। শুধু নারীরা না পুরুষরাও যাবেন ডাঃ সাবরিনার কাছে নিজের হার্টের পরীক্ষা নিরিক্ষা করাতে । ওর কাছে গেলে ওর ব্যবহারেই অর্ধেক সুস্থ্য হয়ে যাবেন।ধন্যবাদ ডাঃ সাবরিনা। স্যালুট তোমাকে।ভালবাসা ও শুভ কামনা রইলো তোমার জন্য।

Posted by: | Posted on: February 28, 2019

জয়পুরহাটে সফল পেঁপে চাষি আব্দুল হালিম

জয়পুরহাট,  (বাসস) : উন্নত মানের ওষুধী গুণাগুন সমৃদ্ধ সবজি পেঁপে চাষ করে সফলতা পেয়েছেন সদর উপজেলার ভানাইকুশলিয়ার কৃষক আব্দুল হালিম।
পেঁপে বাগান ঘুরে কৃষক আব্দুল হালিম জানান, নিজের ২৫ শতাংশ জমি ও পাশের লিজ নেওয়া আরও ২ বিঘা জমিতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পেঁপে চারা রোপণ করেন গত আগষ্ট মাসে। এতে খরচ পড়েছে ৩০ হাজার টাকার মতো। একেকটি পেঁপের ওজন সর্বোচ্চ আড়াই কেজি পর্যন্ত। এ পেঁপে বাগান থেকে এ পর্যন্ত ২ লাখ টাকার কাঁচা ও পাকা পেঁপে বিক্রি করেছেন বলে জানান চাষি আব্দুল হালিম। এ ছাড়াও সাথী ফসল হিসেবে বাগানের ভেতরে খেসারী চাষ করে এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকার খেসারীর শাক বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমান বাজারেও কাঁচা পেঁপে ১৫/২০ টাকা এবং পাকা পেঁপে ৪৫/৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। চাষি আব্দুল হালিম জানান, স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সার্বিক তত্বাবধানে শাহী জাত সহ স্থানিয় উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁপে চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। পেঁপে চাষে রোগবালাই কম, পাখির উপদ্রপ থেকে রক্ষা পেতে প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে বড় আকৃতির পেপে ঢেকে রাখা হয় বাজার মূল্য বেশি লাভের আশায়। অন্যান্য ফসলের চেয়ে পরিশ্রম কম আবার লাভ বেশি এ কারণে পেঁপে চাষ করছেন বলে জানান চাষি আব্দুল হালিম। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষিবিদ সেরাজুল ইসলাম বলেন, অধিক ওষুধী গুণাগুন সমৃদ্ধ ও উন্নত মানের সবজি হচ্ছে পেঁেপ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কৃষি বান্ধব সরকার কৃষকদের উন্নয়নে নানা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছেন। সেই আলোকে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের আয় বর্ধন মূলক বিভিন্ন ফসল চাষে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

Posted by: | Posted on: February 28, 2019

শরীয়তপুরে ৩ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু

শরীয়তপুর, (বাসস) : “প্রযুক্তি নিয়ে করব কৃষি, লাভ আসবে অহর্নিশি ও ডিজিটাল করব কৃষি, সুখে থাকব দিবানিশি” এ প্রতিপাদ্যে শরীয়তপুরে ৩ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে।
সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শরীয়তপুরের আয়োজনে সোমবার সকাল ১০ টায় শরীয়তপুর শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বেরকরা হয়। র‌্যালিটি সদর উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের মেলার উদ্বোধন করেন। পরে খামার বাড়ি শরীয়তপুরের উপ-পরিচালক মো: রিফাতুল হোসাইনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিররিক্ত পুলিশ সুপার মো: আল মামুন সিকদার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাবুর রহমান শেখ, জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রশান্ত বৈদ্য সহ জেলার ৬ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাগণ। কৃষির উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে মেলায় ১৪ টি স্টলে বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। মেলা চলবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। কারণ দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ফসলি জমিতে গড়ে উঠছে আবাসন। ফলে কৃষি জমি দিন দিন কমছে। তাই কৃষিতে নানা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। তবেই আমরা অতিরিক্ত জনসংখ্যার খাদ্য নিশ্চিতের পাশাপাশি খাদ্য রফতানি করতে পারবো।