Monday, February 11th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: February 11, 2019

মন্ত্রিসভায় হজ নীতি ও হজ প্যাকেজ অনুমোদিত

(বাসস) : মন্ত্রিসভা আজ জাতীয় হজ ও ওমরাহ্ নীতি-২০১৯ এবং হজ প্যাকেজ-২০১৯ অনুমোদন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদের বিভাগের সচিব মো. শফিউল আলম বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ যাত্রী বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করবেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করবেন। হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ অবশ্যই ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে।
দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠানো হবে। প্রথম প্যাকেজে খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে বিমান টিকেটসহ ৪ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

হজযাত্রীদের মধ্যে যারা ট্রেনে যাতায়াতের সুবিধা নিতে আগ্রহী তা তাদেরকে অতিরিক্ত ২৪,৯৮১ টাকা দিতে হবে, তবে বাকীদের ১৯,০২৫ টাকা সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হবে।
প্রতিটি বেসরকারি হজ এজেন্সি চলতি বছর কমপক্ষে ১৫০ জন এবং সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এবারের হজের সম্ভাব্য তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯। তবে, তা নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই প্যাকেজের আওতায় একটি ফ্লাইটে তিনটির বেশি এজেন্সির যাত্রী পাঠাতে পারবে না। ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)-এর মাধ্যমে কুরবানীর খরচ পাঠাতে হবে। চলতি বছর সৌদি সরকার কুরবানির জন্য ৫২৫ রিয়াল নির্ধারণ করেছে, গত বছর কুরবানীর নির্ধারিত খরচ ছিল ৪৭৫ রিয়াল, প্রত্যেক হজযাত্রীকে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ৬৮ রিয়াল ব্যাংক ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে প্রদান করতে হবে।
যে সব মুসলমান দু’বারের বেশি হজ পালন করেছে বা ভিসা পাওয়ার পরও হজে যেতে পারেনি তাদেরকে অবশ্যই ২,১০০ রিয়াল সৌদি সরকারকে জরিমানা দিতে হবে।
সচিব বলেন, ২০১৯ সালের হজ ও উমরাহ নীতিমালা অনুসারে হজযাত্রীদের তাদের জন্মদিন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্যে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ দেখাতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়, সকল উমরাহ হজ পালনকারীকে রেজিস্ট্রেশন করার আগে উমরাহ এজেন্সিগুলো তাদের পৌঁছানো এবং ফেরার দিন সংক্রান্ত তথ্য সরকারকে জামা দিতে হবে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন করে মোয়াল্লেম থাকবে। ইতোপূর্বে ৪৫ জনের জন্য একজন মোয়াল্লেম প্রেরণ করা হতো।
নতুন নীতিমালায়, সকল হজ এজেন্সি রমজানের আগেই হজযাত্রীদের বাসস্থান চুক্তির কপি প্রদান করতে বাধ্য থাকবে। নীতিমালায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে হজযাত্রীদের সেবাদানের জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছ্বাসেবী নিয়োগের দায়িত্ব প্রদান করেছে।
হজযাত্রীদের বিমান ও বাস ভাড়া বাধ্যতামূলকভাবে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনের নামে পে অর্ডারের মাধ্যমে দিতে হবে।
নতুন নীতিমালা অনুসারে, রেজিস্ট্রেশনকৃত কোনো হজযাত্রীর নাম তাকে না জানিয়ে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। হজযাত্রীকে হজ পালনের জন্যে শারিরীক, অর্থনৈতিক সেই সঙ্গে মানসিকভাবে সক্ষম হতে হবে। নীতিমালা বলা হয়, হজ পালনে ইচ্ছুক সকলকে তাদের বাসা বাড়া, সার্ভিস চার্জ ও ক্যাটারিং অনলাইনের খরচ প্রদান করতে হবে।
নীতিমালা অনুসারে হজের শুরুতে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ অথবা সৌদী অরবের কাউকে মোয়াল্লেম নিযুক্ত করবে এবং হজ শুরুর দু’মাস আগেই এই নিয়োগ দিতে হবে। মোয়াল্লেমকে অবশ্যই আরবী ভাষায় পারদর্শী হতে হবে এবং তাদের পরিচয়পত্র ডেপুটি কমিশনারকে দিয়ে যাচাইকৃত হতে হবে।

মন্ত্রিসভা ‘প্রাণী কল্যাণ আইন-২০১৮’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। নিষ্ঠুরতার পরিবর্তে প্রাণীর মালিকদের ইতিবাচক ও সদয় আচরণ প্রদর্শন করতে পূর্ববর্তী প্রাণী আইন-১৯২০-এর স্থলে এই আইনের অনুমোদন দেয়া হয়। এই আইনের মাধ্যমে কোনো প্রাণীকে বিষ প্রয়োগে অপ্রয়োজনীয় হত্যা বা ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখা রোধ করা যাবে। যদি কেউ এই অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হয় তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ধর্মীয় আচার অনুযায়ী প্রাণী হত্যা ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে নিষ্ঠুরতা হিসেবে গণ্য হবে।
মন্ত্রিসভা ‘বাংলাদেশ ভেটেরিনারি প্রাকটিশর্নাস অর্ডিনেন্স-১৯৮২’ পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল এ্যাক্ট-২০১৮’ অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনের অধীনে প্রাণীসম্পদ বিভাগ, মাদক সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, এটর্নি জেনারেল অফিস ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারসহ ২২ সদস্যের ভেটেরিনারি কাউন্সিল গঠন করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রীর নেতৃত্বে ৭-সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে। এতে স্পিকার কর্তৃক মনোনিত একজন এমপি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ৪ জন নিবন্ধিত পশু চিকিৎসক নিযুক্ত করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব পশু চিকিৎসকদের নৈতিকতা সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান ও প্রতি ৪ বছর পরপর রেজিষ্ট্রেশন নবায়ন করতে বলেন। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তিকে ৩ বছরের কারাদন্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে।
মন্ত্রিসভা জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন-২০১৯ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন এন্ড এয়ারোস্পেস ইউনিভার্সিটি এক্ট-২০১৯ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে সংসদে আইনটি পাসের পথ উন্মুক্ত হলো।

Posted by: | Posted on: February 11, 2019

দুই বিমান বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে:প্রধানমন্ত্রী

(বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিমান বাহিনীর একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান মার্শাল বিরেন্দর সিং ধানোয়া আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি দুই বিমান বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। দুই বাহিনী যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে পারে।’ সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং আমি আশা করি এ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো জোরদার হবে।’
বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের বিস্ময়কর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায় থেকে উন্নয়ন করা।
দারিদ্র্য বিমোচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।
শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ভারত সরকার ও তার বিমান বাহিনীর সহায়তার কথা স্মরণ করেন।
ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধানও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ভারতীয় বিমান বাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু এ অঞ্চলটি দুর্যোগ-প্রবণ, তাই যেকোন দুর্যোগ মোকাবেলায় দুই বিমান বাহিনী একযোগে কাজ করতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাদানকারী ভারতীয় সেনাদের প্রতিবছর বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এতে খুবই আনন্দিত’।
বিরেন্দর সিং ধানোয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার তিন মাসের মধ্যেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর দেশের ফিরে যাওয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘এটি যুদ্ধ শেষে স্বল্পতম সময়ে কোন বাহিনীর দেশে ফিরে যাওয়ার একমাত্র দৃষ্টান্ত।’
তিনি বলেন, ভারতীয় বিমান বাহিনী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বিনির্মাণে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি প্রশিক্ষণসহ বহু ক্ষেত্রে দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবকাঠামোর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এটি বিশ্বমানের। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন, বিশেষ করে, তৈরি পোশাক খাত (আরএমজি)’র উন্নয়নেরও ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘ভারতের বাইরে আমি কোন পোশাক-আশাক কিনতে গেলে সব সময় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ দেখতে পাই।’
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন ও ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ড. আদার্শ সোয়াইকা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: February 11, 2019

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

(বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই তফসিল ঘোষণা করেন।
এসময় হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ এবং রিটার্নিং অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। স্ব স্ব হল কর্তৃপক্ষ হল সংসদ নির্বাচনের তফসিলও আজ ঘোষণা করেন।
তফসিল অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ ২০১৯ সোমবার সকাল ৮টা থেকে অপরাহ্ন ২টা পর্যন্ত একটানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটারগণ (আবাসিক ও অনাবাসিক) নিজ নিজ হলের ভোট কেন্দ্রে বৈধ পরিচয় পত্র দেখিয়ে ভোট প্রদান করবেন।
তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিতরণ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ও সময় হচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা থেকে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দুপুর ১২টায় প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে।
প্রকাশিত তালিকার বিষয়ে কোন প্রার্থীর আপত্তি থাকলে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দুপুর ১২টার মধ্যে তা ডাকুস’র সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নিকট লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ২ মার্চ ২০১৯ দুপুর ১টা পর্যন্ত।
আগামী ৩ মার্চ ২০১৯ বিকাল ৪টায় প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

Posted by: | Posted on: February 11, 2019

সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৩৭ হাজার পদ শূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের বিভিন্ন অফিস ও মন্ত্রণালয়ে তিন লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৬টি সরকারি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তিনি আরো বলেন, এর মধ্যে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শূন্য রয়েছে তিন হাজার ৮৫৪টি পদ। এসব শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার) ও শামসুল হক টুকুর ভিন্ন ভিন্ন তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ফরহাদ হোসেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩৭তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারের এক হাজার ২৮৯টি পদে নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সুপারিশ করেছে। সুপারিশকৃত প্রার্থীদের প্রাক-চাকরির বৃত্তান্ত যাচাই করার জন্য যথাযথ সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রাক-চাকরি যাচাই প্রতিবেদন, মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত নিয়োগ দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ৩৮, ৩৯ ও ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে যথাক্রমে দুই হাজার ২৪টি, চার হাজার ৭৯২টি ও এক হাজার ৯০৩টিসহ মোট আট হাজার ৭১৯টি বিভিন্ন ক্যাডারের শূন্য পদে নিয়োগের কাজ চলছে।

ফরহাদ হোসেন আরো বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং এর অধীন সংস্থার চাহিদার প্রেক্ষিতে সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে ১০ থেকে ১২ গ্রেডে (দ্বিতীয় শ্রেণি) শূন্য পদে জনবল নিয়োগ করা হয়ে থাকে। ১৩ থেকে ২০ এর (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) পদে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থা নিয়োগ বিধি অনুযায়ী করে থাকে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ ধারাবাহিকভাবে সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পদ সৃজনের সম্মতি প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নিয়োগবিধি অনুযায়ী ওই পদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। আদালতের কার্যক্রম শেষ না হওয়া এবং পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় কিছু শূন্য পদ পূরণ করা যায় না।

Posted by: | Posted on: February 11, 2019

ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও জনতা ব্যাংকের ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিশেষ প্রতিবেদক: জনতা ব্যাংকের এক হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ক্রিসেন্ট গ্রুপের সাত চেয়ারম্যান ও পরিচালক এবং জনতা ব্যাংকের ১৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজধানীর চকবাজার থানায় পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর চকবাজার থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আসামিরা হলেন- ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ কাদের, রূপালী কম্পোজিট লেদার লিমিটেডের পরিচালক সামিয়া কাদের নদী, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্ট লিমিটেডের পরিচালক সুলতানা বেগম, পরিচালক রেজিয়া বেগম, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ ও ব্যবস্থপনা পরিচালক লিটুন জাহান মীরা ও মেসার্স লেক্সকো লিমিটেড পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ।

জনতা ব্যাংকের আসামিরা হলেন- জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. মনিরুজ্জামান, মো. সাইদুজ্জামান, প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমীন, সিনিয়ার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মাগরেব আলী, মো. খায়রুল আমিন, বাহারুল আলম, এজিএম মো. আতাউর রহমান সরকার, এস এম শরীফুল ইসলাম, ডিজিএম (বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি) মো. রেজাউল করিম, ডিজিএম মুহাম্মদ ইকবাল, একেএম আসাদুজ্জামান, কাজী রইস উদ্দিন আহমেদ, ডিএমডি মো. জাকির হোসেন ও ডিমডি ফখরুল আলম।

জানা গেছে, জনতা ব্যাংক থেকে নেয়া মোট ঋণের মধ্যে ক্রিসেন্ট লেদার প্রডাক্ট লিমিটেডের ৫০০ কোটি ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৯, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেডর ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫ হাজার ১২০, লেক্সকো লিমিটেডের ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৯, রূপালী কম্পোজিট লেদার লিমিটেডের ৪৫৪ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ ও রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ৬৪৮ কোটি ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৭ টাকা। ভুয়া রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে এফডিবিপি ও প্যাকিং ক্রেডিটের জন্য ক্রিসেন্ট গ্রুপের ওই প্রতিষ্ঠানসমূহ জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখা থেকে এ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে।

দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. গুলশান আনোয়ার, সহকারী পরিচালক-টিম লিডার মো. নিয়ামুল আহসান গাজী গত সেপ্টেম্বরে অনুসন্ধান শুরু করেন। তদারককারী কর্মকর্তা ছিলেন পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।