Main Menu

কৃষি-খাদ্য-হালকা প্রকৌশল খাতে ডাচ বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঞ্চালনায় প্রথম অধিবেশনে বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য খাতে ডাচ বিনিয়োগ আকৃষ্টের বিষয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। দু’দেশের সংশ্লিষ্ট পাঁচ জন মুখ্য ব্যক্তিত্বের উপস্থাপনায় এ খাতে সম্ভাব্য ডাচ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও বিনিয়োগকারীরা কীভাবে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে সে বিষয়ে এ সময় আলোচনা হয়।

আলোচকরা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের কৃষির বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে পোল্ট্রি, ডেইরি এবং মৎস্য খাতের উন্নয়নে ডাচদের উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। আলু, টমেটো, পেঁয়াজসহ অন্যান্য সবজির উন্নত মানের এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধী শস্যবীজ সরবরাহ, শস্য আহরণ পরবর্তী ক্ষতি হ্রাস, পশুখাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, মাটির উর্বরতা বজায় রাখা ইত্যাদি বিষয়ে ডাচ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের কৃষির যান্ত্রিকীকরণ এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ফার্মিং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি স্থানান্তরে ডাচ প্রতিষ্ঠানগুলো সহযোগিতার ইঙ্গিত প্রদান করে।

দ্বিতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের খাত সংশ্লিষ্ট মুখ্য ব্যক্তিত্বের উপস্থাপনায় এ খাতে সম্ভাব্য ডাচ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বিনিয়োগকারীরা কীভাবে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। দেশব্যাপী বিস্তৃত প্রায় ৪০ হাজারের অধিক হালকা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ডাচ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সহজে যুক্ত হতে পারেন।

আলোচকরা অভিমত দেন, দেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর চাহিদা বিবেচনায় ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বাইসাইকেল ইত্যাদি খাতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডাচ উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারেন। তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নকল্পে বিভিন্ন পশ্চাৎমুখী শিল্প যেমন– পানি শোধনাগার, ওয়াশিং প্ল্যান্ট, প্রিন্টিং মেশিন স্থাপনেও ডাচরা সরাসরি বিনিয়োগ করতে পারেন। পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, ইয়ার্ন পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, গার্মেন্টসের বর্জ্য পরিশোধন, ফ্যাশন ডিজাইন প্রভৃতি সেক্টরে ডাচ উদ্যোক্তারা সহজেই যুক্ত হতে পারেন বলে জানানো হয়।

নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করে জানান, এই বিনিয়োগ সম্মেলনের মাধ্যমে দুদেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সরাসরি যোগাযোগ এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পাশাপাশি ব্যবসা সংক্রান্ত ডাচ সরকারের শীর্ষ সংস্থা দূতাবাসের এই উদ্যোগের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংযুক্ত হয়েছে।






Related News