ship

মৃতরা হলেন- রিপন শিকদার (৪০), মেহেদী হাসান (২৬), মোশারফ হোসেন রনি (২৭), শহীদ তালুকদার (৩৫) ও আশিক ইসলাম (৪০)।

ইনস্টিটিউটের জরুরি আবাসিক সার্জন এসএম আইউব হোসেন বলেন, ঝালকাঠিতে জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতজন দগ্ধ রোগী হাসপাতালে এসেছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে ভর্তি রেখে দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৫ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

চিকিৎসকরা জানান, ভোর ৫টার দিকে ৫৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায় মেহেদী হাসা, সকাল সাড়ে ৯টায় ৫৪ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায় মোশারফ হোসেন রনি, একই সময়ে ৫৪ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায় রিপন শিকদার, ৭০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শহিদ তালুকদার মারা যায় বিকেল সাড়ে ৪টায় এবং সন্ধ্যায় আশিক ইসলাম (৪০) শরীরের ৬৬ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায়।

আরও পড়ুন: গাড়িতে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কা, প্রাণে বাঁচলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা

এছাড়া ইমাম উদ্দিন (২১) ও রুবেল হোসেন (৩০) নামে দু’জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওইদিনই চলে যান।

স্বজনরা জানায়, রনির বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার দক্ষিণ মন্দিরা গ্রামে। তার বাবার নাম সিদ্দিক আহমেদ। জাহাজে কাজ করতো সে। চাঁদপুর জেলার উত্তর মতলব থানার বেটালিয়া গ্রামের আহমদউল্লাহ ছেলে মেহেদী। গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মাইচকান্দি গ্রামের বাচ্চু তালুকদারের ছেলে শহিদ। নড়াইলের লোহগড়া উপজেলার পাংখারচড় গ্রামের বাচ্চু শিকদারের ছেলে রিপন।

এর আগে শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অবস্থানকারী তেলবাহী জাহাজে পাম্প বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় একজন। আর দগ্ধ সাতজনকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ওইদিন সন্ধ্যায় তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।