vac

: যুক্তরাজ্য সরকারের অনুমোদিত কোভিড-১৯ টিকা এবং অনুমোদিত টিকা সনদপত্র প্রদানকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগের এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ এক বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের টিকা সনদ এখন ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতি লাভ করেছে। আমাদের (লন্ডন) মিশন যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের প্রক্রিয়া অবহিত করেছে এবং তারা আমাদের টিকা প্রদান সনদপত্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সনদপত্র গ্রহণযোগ্যতা ১১ অক্টোবর ভোর ৪টা থেকে কার্যকর হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বাহরাইন ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশকে লাল তালিকা থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ১১ অক্টোবর ভোর ৪টা থেকে যুক্তরাজ্য অনুমোদিত দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের আর ১০ দিনের জন্য হোটেলে বা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না এবং কোভিড-১৯ প্রাক-প্রস্থান পরীক্ষার প্রয়োজন হবে না।
তবে ইংল্যান্ডে পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় দিন বা তার আগে একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষা নেওয়া উচিত হবে। সকল ভ্রমণকারীদের জন্য টিকা গ্রহনের প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত টিকা সনদ প্রয়োজন হবে।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে উষ্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিফলন এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন ও অপরিহার্য ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশিষ্ট বাধাদূর করতে হাই কমিশনের নিরন্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য সরকারের ভ্রমণ সংক্রান্ত লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম অপসারণ করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টায় থেকে এ তালিকা কার্যকর হয়।
যেসব ভ্রমণকারী যুক্তরাজ্যের অনুমোদিত দুই ডোজ টিকা গ্রহন করেননি তাদেরকে অবশ্যই বাড়িতে বা যেখানে তারা রয়েছেন সেখানে ১০ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে এবং পৌঁছানোর দ্বিতীয় বা অষ্টম দিন কোভিড পরীক্ষা করতে হবে।