ku

Posted by: | Posted on: September 19, 2021

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজে অবহেলার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা যায়, ১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের ৩১ মে হলের সম্প্রসারণকাজ শুরু হয়। কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্টার লাইট সার্ভিস লিমিটেড। ১৫ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। এরপর কয়েক দফায় কাজ শেষের মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু ৬৫ মাস চলে গেলেও শেষ হয়নি কাজ।

সম্প্রসারিত ভবনের নির্মাণকাজ ঘুরে দেখা যায়, ভবনের ভেতর ও বাইরে পলেস্তারার কাজ শেষ করে টাইলসের কাজ শুরু হয়েছে। তবে গোসলখানা, টয়লেট, পানির লাইন, বৈদ্যুতিক সংযোগ, দরজা-জানালা লাগানোসহ প্রায় অধিকাংশ কাজ এখনও বাকি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি জানায়, বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও ঠিকাদার দায়সারাভাবে ৫-৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতির কারণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, পাহাড় কাটা, বিভিন্ন দফায় মেয়াদ বাড়ানোসহ নানা অভিযোগের পর ৬৫ মাসেও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে মাসের পর মাস ভাড়া বাসা কিংবা মেসে থাকতে হচ্ছে তাদের।

cu-versity১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের ৩১ মে হলের সম্প্রসারণকাজ শুরু হয়

হল সম্প্রসারণকাজ নিয়ে স্টার লাইট সার্ভিস লিমিটেডের ঠিকাদার আমির হোসেন মিলন বলেন, ‘আমাদের এই প্রকল্পের মাত্র ১০ শতাংশ কাজ বাকি। ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ থাকলেও নভেম্বরের মধ্যেই কাজ হস্তান্তরের চেষ্টা করবো। তবে প্রশাসন চাইলে সামনের মাস থেকেও দুটি ফ্লোর ব্যবহার করতে পারবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী এসএম শহিদুল হাসান বলেন, ‘এবার বঙ্গবন্ধু হলের বর্ধিতাংশের কাজ খুব দ্রুত হবে। আশা করি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুই মাসের মধ্যে হলটি হস্তান্তর করতে পারবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘আমরা এ ব্যপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসির সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছে, প্রয়োজনে নতুন ঠিকাদার দিয়ে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য। বঙ্গবন্ধু হলের প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ যেহেতু ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে, সেহেতু কাজ সেভাবে চলছে। আশা করছি, নির্দিষ্ট মেয়াদেই তা শেষ হবে।’