du

এর আগে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার এবং ৫ অক্টোবর হল খুলে দেওয়া হয়। এরপর ১০ অক্টোবর সব বর্ষের জন্য হল খুলে দেওয়া হয়।

কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ও মানসম্মত পরিচালনা পদ্ধতি সামনে রেখে ক্লাস পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে।

সেশনজট নিরসনের জন্য, লস রিকভারি প্ল্যান সামনে রেখে সশরীরে শুরু হতে যাচ্ছে বিভিন্ন বিভাগের পাঠদান। লস রিকোভারি প্ল্যানের আওতায় সেমিস্টার পদ্ধতির ক্ষেত্রে পরীক্ষাসহ সেমিস্টারকাল ৬ মাসের পরিবর্তে ৪ মাস এবং বার্ষিক কোর্স পদ্ধতির ক্ষেত্রে ১২ মাসের পরিবর্তে ৮ মাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যলায় কর্তৃক প্রণীত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওরস পালনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হবে। যেসব বিভাগ, ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি ওই বিভাগগুলোতে দুইধাপে ক্লাস নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: ঢাবির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর

এছাড়াও রোববার থেকে সব রুটে আগের সময়সূচি মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোর সঙ্গে বিআরটিসির কিছু বাসও চলাচল করবে বলে জানান পরিবহন ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান।

এদিকে, ঢাবির শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী ১ নভেম্বরের পরিবর্তে ১ ডিসেম্বর আয়োজিত হবে। গত রোববার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, সংশ্লিষ্ট অতিথি ও শিক্ষার্থীদের সশরীরে অংশ নেওয়ার অনুকূল পরিবেশ প্রাপ্তির জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।