p1

প্রত্যক্ষদর্শী বাইজিদের মেঝ ভাবি হাদিসা বেগম জানান, ১০-১২টি মোটরবাইকযোগে ২০-২৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাড়িতে উপস্থিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা রামদা, দা, কুড়াল দিয়ে ঘরের সামনের ও পশ্চিম পাশের টিনের বেড়া কুপিয়ে ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ঘরে প্রবেশ করে মালামাল তছনছ করে। সন্ত্রাসীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখেই হাদিসা পাশের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন বলে জানান।

হামলার সময় বাইজিদের ভাই সোহাগ মৃধা পটুয়াখালী শহরের ফায়ার সার্ভিস অফিসে কর্মরত থাকলেও ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। হামলার সময় ঘরে তিনি ও তার মেয়ে ফাতিমাতুজ্জেহরা বয়স ছিলেন। এই সময় তার ঘরে আসবাবপত্র ছাড়া হাদিসা ভাবীর স্বামী সোহাগের নতুন মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করেছে।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর নাট খোলা সেই যুবক ৭ দিনের রিমান্ডে

এলাকাবাসী জানায়, আমরা হঠাৎ করে টিন ভাঙচুর ও কোপানোর শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে এসে দেখি ২০-২৫ বছর বয়সি অনেকগুলো পোলাপান ঘরের টিন ভাঙচুর করছে। তাদেরকে অপরিচিত লাগছিল তাদেরকে আমরা চিনি না কিছুক্ষণ ভাঙচুর করে আবার মোটরসাইকেল যোগে চলে গেছে। তবে তারা পটুয়াখালী থেকে এসেছে আবার পটুয়াখালী চলে গেছে।

পটুয়াখালী সদর থানার এসআই ছলিমুর রহমান জানান, ওসি সাহেবের নির্দেশে ঘটনাস্থলে এসে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। দুর্বৃত্তরা ঘরের টিন কুপিয়েছে, কিছু মালামাল ভাঙচুর করেছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলছি, বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।