inf

: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগে দুর্বৃত্তদের স্থান নেই।
আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা জিতেন্দ্র গুহের ওপর হামলার ঘটনা ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে যারা দলের পরীক্ষিত নেতাদের নিগৃহিত করে এমন দুর্বৃত্তদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই।
তথ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জিতেন্দ্র গুহকে দেখতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন। এ সময় তিনি আহত জিতেন্দ্র গুহের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।
ড. হাছান বলেন, জিতেন্দ্র গুহ আমাদের দলের একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে অনেক দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজকের পর্যায়ে এসেছেন। তার ওপর যে হামলা হয়েছে সেটি শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি জঘন্য। যারা হামলা করেছে তারা দল থেকে বহিস্কৃত হবে।
তিনি বলেন, ‘পটিয়ার হাইদগাঁও ইউনিয়নের যে জসিম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে তাকে ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হবার কারণে দল থেকে আগেই বহিস্কার করা হয়েছিল। তাকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করছি অন্যান্য আসামীরাও সহসা গ্রেপ্তার হবে।’
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের দলের সমস্ত নেতাকর্মীরা জিতেন গুহের সাথে আছে। যারা হামলা করেছে তাদের মত দুস্কৃতিকারীদের আমাদের দলে কোন স্থান নাই। যারা এই ধরনের দুর্বৃত্ত আছে, দলের নাম ভাঙিয়ে নানা সুযোগ সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে, পরীক্ষিত নেতাদের নিগৃহিত করে তাদের কোন স্থান আমাদের দলে নেই।’
ড. হাছান বলেন, এ ঘটনার অবশ্যই সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। চেয়ারম্যান বিএম জসিমকে আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে থানা আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে যেন আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হয়।
আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, উত্তর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ খ ম শামসুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরশেদ উল্লাহ, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন খাঁন স্বপন, চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ চৌধুরী, কাউছার নুর লিটন প্রমুখ মন্ত্রীর সাথে ছিলেন।