ra

দিপু সিদ্দিকী: রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন আজ বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে নির্মাণাধীন আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত নতুন রেলপথের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামি উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে আগরতলা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে উপস্থিত সাংবাদিকদের রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্প নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন। এটি আমাদের উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ৮টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টের মধ্যে ৫টি ইতোমধ্যে চালু হয়েছে এটি ৬ নম্বর হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও উভয় দেশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরিদর্শনকালে রেলপথ নির্মাণ কাজের ধীরগতিতে রেলপথ মন্ত্রী এবং ভারতীয় হাইকমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিশ্চয়তা প্রদান করে যে, আগামী জুনের মধ্যে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করবেন। এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই রেলপথ চালু করার আশ্বাস প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটি।
রেলপথ মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ইতোমধ্যে তিনবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঠিকাদারের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে যদি কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বিকল্প ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
এই রেলপথটি ভারতের অনুদানে নির্মিত হচ্ছে। রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ১৫ কিলোমিটার। এরমধ্যে মাত্র ৫ কিলোমিটার ভারতের অংশ এবং বাকী অংশ বাংলাদেশের। নির্মাণ এবং পরামর্শক কাজে যুক্ত রয়েছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘টেক্সমাকো রেল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’। প্রকল্পের অগ্রগতি ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বাসস