5j1april

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ  সোমবার,৫এপ্রিল  মুজিব শতবর্ষ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ১০২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষকালব্যপী জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ্ আলোচনা সভার ২৪৫তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।                                           

জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. জেবউননেছা  এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগী অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু গবেষক আবু সালেক খান,শিল্পপতি শওকত হোসেন,নীলফামারীর জলঢাকা থেকে পিএইচডি গবেষক ফাতেমা তুজ-জোহরা লিমা,ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক কাজী ফারজানা ইয়াসমিন।  

সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন রংপুর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসাঃ আর্জিনা খানম এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ এর বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ এর অধীনে পিএইচডি গবেষণারত প্রশান্ত কুমার সরকার।

সভাপতির বক্তৃতায় ড. কলিমউল্লাহ বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবন দর্শনে নারী-পুরুষের সমতার সত্যকে ধারণ করেছিলেন।নারীকে অবদমন করা তার সামগ্রিক জীবনের কোথাও প্রতিফলিত হয়নি। বঙ্গবন্ধু নারীকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখেননি। সমাজ ভাবনার আলোকিত মানুষ হিসেবে নারীকে দেখেছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু গবেষক আবু সালেক খান বলেন,বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর ব্যক্তিত্বের মহিমায় বিদেশি রাষ্ট্র নায়কদের কাছ থেকে যে সম্মান অর্জন করেছিলেন তা বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরতে বিজ্ঞজনদের প্রতি আহবান জানান।

শিল্পপতি শওকত হোসেন বলেন,বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এই দুটি নাম একে অপরের পরিপূরক, যা আজ ঐতিহাসিকভাবে সমাদৃত সারাবিশ্বে। একটি ছাড়া অন্যটি যেন নিষ্প্রাণ, অনুজ্জ্বল। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সান্ধ্যকালীন নিয়মিত সেমিনার আয়োজন করার জন্য জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিওকে ধন্যবাদ জানান।

আর্জিনা খানম বলেন,শোষক ও স্বেচ্ছাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে বঙ্গবন্ধু পালন করেছেন ঐতিহাসিক ভূমিকা।

প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন,বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করেছিলেন যে, এই দেশের উন্নয়নের জন্য অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে পর্যটন শিল্প। পর্যটন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বঙ্গবন্ধু এর সঠিক ব্যবস্থাপনার দিকে জোর দেন।

ফাতেমা তুজ-জোহরা লিমা বলেন,স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি চেতনা ও একটি জাতীয় অধ্যায়ের নাম।

দিপু সিদ্দিকী বলেন,বঙ্গবন্ধু সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেন। তিনি ছিলেন রাজনীতির কবি। রাজনীতিকে তিনি সৃষ্টিশীল চেতনা দিয়ে নিজের হাতে আকার দিয়েছেন।

কাজী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার অধিকারী ছিলেন।

সভাটি সঞ্চালনা করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন রাজশাহী থেকে ডা.মনোয়ার।