cc

১৯৮৬ সালের বিপর্যয়ের পর চেরনোবিলের কর্মীদের আবাসনের জন্য স্লাভুটেক শহর নির্মাণ করা হয়েছিল। শুক্রবার জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা জানিয়েছে, শহরটিতে লড়াইয়ের কারণে কর্মীরা চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারছেন না। স্থাপনাটিতে পরমাণু বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের কয়েকটি স্থাপনা রয়েছে। খবর বিবিসির।

অভিযানের শুরুতেই চেরনোবিলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর হাতে।

এদিকে জাপানের মালিকানা দাবি করা একটি দ্বীপে সামরিক মহড়া চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টোকিও সরকার। এরপরেই জাপানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছে রাশিয়া।

আরও পড়ুন: পুতিনের ক্ষমতা কি কেড়ে নেওয়া সম্ভব?

রাশিয়ার ইস্টার্ন মিলিটারি ডিস্ট্রিক্ট বলছে, কুরিল দ্বীপপুঞ্জে সামরিক মহড়া চালিয়েছে তিন হাজার রুশ সেনা। তাদের সঙ্গে শত শত সামরিক যানও ছিল। রাশিয়ার কামচাতকা উপদ্বীপের সঙ্গে জাপানের সর্বউত্তরের মূল ভূমি হোকাইদোর সংযোগ রয়েছে। তবে তাদের এই মহড়া কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তা বলেনি মস্কো।

জাপানের সামাজিক মাধ্যম বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের কাছ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের জব্দ করা ভূখণ্ডে ছিল রুশরা। টোকিও ওই ভূখণ্ড নিজেদের বলে দাবি করছে। এ নিয়ে জানতে চাইলে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসের কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

দ্বীপপুঞ্জটিকে রাশিয়ায় দক্ষিণাঞ্চলীয় কুরিল নামে ডাকা হলেও জাপান তাকে উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড বলছে। গেল ৭০ বছর ধরে এই ভূখণ্ড নিয়ে দুদেশের মধ্যে বিতর্ক চলছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দুদেশের মধ্যে কোনো শান্তি চুক্তি হয়নি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়া বলছে, দ্বীপপুঞ্জটি নিয়ে চুক্তি করতে জাপানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।