jam

আইরিন নাহার/দিপু সিদ্দিকীঃ

কদিকে সড়কে তীব্র যানজট, অন্যদিকে ভয়াবহ গরম। দুই মিলে নাকাল নগরবাসী। সড়ক কিংবা উড়ালপথ সবখানেই সমানতালে যানজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে থেকে অনেকে হেঁটেই রওনা হন গন্তব্যে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যানজটে কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ায় প্রতিবছর ৩৬ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

সব যেন থমকে আছে। আবারও চিরচেনা রূপে ফিরেছে যানজটের নগরী ঢাকা।

যানজট দূর করতে সরকার নানা পরিকল্পনা নিলেও সুফল মিলছে না কিছুতেই। করোনার বাধা ডিঙিয়ে যেই কর্মব্যস্ত হচ্ছে নগর, তখনই আবারও ঘড়ির কাঁটা যেন থামিয়ে দিচ্ছে যানজট। চলাচল সহজ করতে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে বেশ কটি উড়াল সড়কও। কিন্তু সেখানেও নিস্তার নেই।

এক বাসচালক জানান, রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। শরীর, হাত-পা ব্যথা হয়ে যায়। তিন ঘণ্টায় রামপুরা থেকে মালিবাগ এসেছি।

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা চৈত্রের ভ্যাপসা গরম। অতিষ্ট হয়ে হেটেই রওনা দিচ্ছেন কেউ কেউ।
 

এক মোটরসাইকেল চালক জানান, স্কুল ও কলেজ খোলার পর থেকেই রাস্তায় যানজট বেড়েছে। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে অনেক সময় লেগে যায়।

শাহবাগ, মগবাজার, মালিবাগ, বিজয় সরণি গুলিস্তান প্রতিটি রাস্তা যেন যানজটের মহোৎসব। দশ মিনিটের পথ দেড় ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টায়ও অতিক্রম করা যাচ্ছে না।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, ঢাকার রাস্তায় কী পরিমাণ যানবাহন চলাচল করতে পারবে, তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই সরকারের। প্রতিবছর নতুন দুই লাখ গাড়ি যুক্ত হওয়ায় কমছে না যানজট।

রাজধানীতে পার্কিং স্পেস বাড়ানো ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করবৃদ্ধিরও পরামর্শ তাদের।