joy

তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট। তারা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুরু হয় খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের লাগামহীন দুর্নীতি।

সোমবার (১৫ মার্চ) রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে এক পোস্টে জয় এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ৭ মার্চের ভাষণ ছিল এক অনুপম অমর কবিতা: জয়

একটি ভিডিও শেয়ার করে ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সেসময় খালেদা জিয়ার দুই পুত্র তারেক ও কোকোর দুর্নীতি আকাশ ছোঁয়া। খালেদা জিয়ার ভাইয়েরাও দুর্নীতিতে পিছিয়ে ছিল না কোনো অংশেই।’

‘পত্র-পত্রিকায় একেরপর এক প্রকাশিত হয়েছে দুর্নীতি-অনিয়মের খবর। আর সেই দুর্নীতির পক্ষে নিয়মিত সাফাই গাইত বেগম খালেদা জিয়া,’ লেখেন জয়।

এর আগে গত ১ মার্চ এক ফেসবুক পোস্টে জয় লেখেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত চার দলীয় জোট সরকারের আমলকে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত চার দলীয় জোট সরকারের আমলকে। সেই সময় ক্ষমতার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিরা দুর্নীতির মাধ্যমে আয় করা টাকার ভাগ নিতেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার কুলাঙ্গার দুই পুত্র তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে খুব বাজেভাবে পরিচিতি পেতে হয়েছিল। দেশে ব্যাপকভাবে দুর্নীতির কারণে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (সিপিআই) এ বাংলাদেশ পর পর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বের মধ্যে প্রথম হয়েছিল।’

আরও পড়ুন: আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নেতা কে, প্রশ্ন কাদেরের

জয় বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দুর্নীতিপরায়ণ এই সরকারের শাসনামলে খুব একটা প্রকাশিত না হলেও ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতিকে বিএনপির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং সার্বিক সমর্থন দেওয়ার খবর প্রকাশিত হতে থাকলে খালেদা জিয়া, তার দুই ছেলে ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। ওই সময়েই দুর্নীতির জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়, যা এখন বিচারাধীন রয়েছে।’