me1

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) মশাবাহিত রোগপ্রতিরোধে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে ভবনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য অনুমতি নিতে হবে না। একটা জায়গায় ভবন নির্মাণের জন্য রাজউক থেকে অনুমতি নিতে হবে। পরে সেটি ওই নির্ধারিত জায়গায় হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, কাগজে দেখানো হয়েছে একটা জায়গায় এই ভবন নির্মাণ করা হবে। এখন ওই ভবনটি ওই জায়গায় নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, ওই ভবনটির যে পরিকল্পনা আছে, সে পরিকল্পনা অুনযায়ী হচ্ছে কি না, তা যদি কেউ দেখাশোনা না করে তাহলে কি শহর বসবাসের উপযোগী থাকবে? এ জন্যই মূলত ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনকে যুক্ত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: দেশে প্রথমবারের মতো সফল হার্ট প্রতিস্থাপন

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি এক সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজধানীতে যে কোনো অবকাঠামো নির্মাণে রাজউকের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনেরও অনুমোদন নিতে হবে। শুধু অনুমোদন দিলেই হবে না, সিটি করপোরেশনকে অনুমোদন করা স্থাপনা নিয়মিত নজরদারির ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

এই সিদ্ধান্তের পর তার বিরোধিতা করেছিল রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে ভবনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য অনুমতি নিতে হবে না। একটা জায়গায় নিতে হবে যে, নির্ধারিত জায়গায় ভবনটি হচ্ছে কি না।