rab

দিপু সিদ্দিকীঃ

মিয়ানমার থেকে নৌপথে আসা আইসের চালান গ্রহণ করা হয় সেন্টমার্টিন দ্বীপের গভীর সমুদ্রে। জেলের ছদ্মবেশে সেখান থেকে মাদকের চালান সোনাদিয়া ও মহেশখালী দ্বীপ হয়ে নেওয়া হয় নোয়াখালীর হাতিয়ায়।

পরে আবারও নৌপথে মাদকের চালান চলে আসে মুন্সীগঞ্জে। সেখান থেকে আইস, ইয়াবা ছড়িয়ে দেওয়া হয় ঢাকাসহ সারা দেশে। ৫০ কোটি টাকার আইসসহ ৫ জনকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

 
ভয়াবহ মাদকের মধ্যে আইস বা ক্রিস্টালমেথ অন্যতম। ইয়াবার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি ক্ষতিকর এ মাদক। দেশে একের পর এক ধরা পড়ছে ক্রিস্টালমেথের চালান। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি আইস, ১ লাখ ইয়াবা এবং বিপুল চেতনানাশক সিটাকটিভ ইনজেকশন উদ্ধার করেছে র‌্যাব। উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র। গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে।

 

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জসিম আইস কারবারের অন্যতম হোতা। ৭ বছর ধরে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সে। লাভজনক হওয়ায় এক বছর ধরে করেন আইসের ব্যবসা। তার সিন্ডিকেটে রয়েছে ১২ থেকে ১৫ জন বলে জানায় র‌্যাব।
 
বৃহস্পতিবার (০৩ মার্চ) রাজধানীর কারওরান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন,  সমুদ্র ও নৌপথে মাদক পরিবহন করত চক্রটি। জেলে সেজে ছদ্মবেশে ২০ থেকে ২৫ দিন তারা অবস্থান করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে। মিয়ানমার থেকে আইসের চালান নিয়ে তারা আসে সোনাদিয়া দ্বীপে। সেখান থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ায়। পরে মেঘনা নদী হয়ে যায় মুন্সীগঞ্জে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা দুটি বোট ব্যবহার করে। সামনের বোটটি নজরদারির জন্য আর পেছনেরটিতে থাকে মাদকের চালান এভাবে তারা কাজটি করে আসছিল।

সোনাদিয়া দ্বীপকেন্দ্রিক মাদক সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।