kader

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে রাজধানীতে তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

দল করলে দলের নিয়ম মেনে চলতে হবে, অনিয়ম করে দলের মনোনয়ন দেওয়ার দিন শেষ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনা চিরদিনের জন্য কাউকে নেতৃত্ব ইজারা দেননি।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নেতা কে? এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবারও বিএনপি নেতাদের স্মরণ করে দিয়ে বলেন, তাদের দুই শীর্ষ নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, আইন অনুযায়ী তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তাই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন বিএনপি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে ষড়যন্ত্র করে চলেছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি কেন নির্বাচন চায় না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

ত্যাগী নেতারা আওয়ামী লীগের আস্থার ঠিকানা দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। দলের আভ্যন্তরীণ কোন্দল-কলহ দূর করে এখন থেকেই আগামী নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মীদের তৈরি করতে হবে।

এ সময় ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করে না রাখতে দলের নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়ে কাদের বলেন, পকেট ভারি করার জন্য লোক সৃষ্টি করা যাবে না, দুঃসময়ের কর্মীরাই দলের আসল বন্ধু।

গত নির্বাচনের চেয়ে আগামী নির্বাচনে আরও কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাই এখন থেকেই শতভাগ প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রতিপক্ষকে দুর্বল না ভাবতে নেতাকর্মীদের স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ষড়যন্ত্র চলছে, তারা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আওয়ামী লীগকে হারাতে চেষ্টা করবে, সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, আবদুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন এবং সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ তালুকদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ।