puttt

ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তের গোমেল অঞ্চলে আলোচনা হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া আলোচনার জন্য প্রস্তুত। গোমেলে ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের আগমনের অপেক্ষায় আছি আমরা।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। এরপর রুশ পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন লুকাশেঙ্কো। গোমেল থেকে রুশ প্রতিনিধিদের ফিরিয়ে না নিতে তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে অনুরোধ করেন। গোমেল অঞ্চলেই বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে ইউক্রেন।

রুশ প্রতিনিধি দলের আরেক সদস্য লিওনিড স্লুটস্কি বলেন, ইউক্রেনের সঙ্গে আসন্ন আলোচনায় রাশিয়া কঠোর অবস্থান নেবে। রাশিয়ার প্রধান মিত্রদের একটি বেলারুশ ইউক্রেন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটির সীমান্ত দিয়েই প্রতিবেশী ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

আরও পড়ুন: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের মামলা

এছাড়া ওই যুদ্ধে সমর্থন দেওয়ায় বেলারুশের ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রোববার জেলেনস্কি বলেন, বেলারুশের ভূখণ্ড থেকে আগ্রাসী পদক্ষেপ নেওয়ার অর্থ হচ্ছে, ওই দেশে বসে কোনো আলোচনা সম্ভব না।

এছাড়া বেলারুশের ভূখণ্ড থেকে নিক্ষেপ করা একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করারও দাবি করেছে ইউক্রেন সরকার। এর আগে ইউক্রেনের সঙ্গে এখনো আলোচনার পথ খোলা আছে বলে ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট নাফতালি বেনেটকে নিশ্চিত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেন, কিন্তু কিয়েভের নেতারা এ ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যহীনতা দেখিয়েছে।

তবে বৈরিতার অবসানে ইসরাইল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখতে চায় বলে জানিয়েছেন নাফতালি বেনেট। ক্রেমলিনের বরাতে সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক এমন খবর দিয়েছে।

ইসরাইলির পক্ষ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের সংঘাতের মধ্যস্থতা করতে চাচ্ছে তেলআবিব। ইতিমধ্যে সংঘাতের অবসানে বিভিন্ন পর্যায় থেকে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ চলছে।