sa

শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) ভারতের সিমলায় বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম রাউন্ডের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন। নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার আলম এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের অটল অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন।

আরও পড়ুন: খায়রুজ্জামানকে ফেরাতে সব চেষ্টা করবে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এসময় তিনি বলেন, একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এ ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর নীতির দ্বারা পরিচালিত বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করে। যাতে প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব জনগণের কল্যাণে অগ্রসর হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজে তার সম্পদ ও শক্তি উৎসর্গ করতে পারে।

মানুষে মানুষে যোগাযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরিতে নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা তুলে ধরেন। এছাড়া বাংলাদেশের চিত্তাকর্ষক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের অংশীদারদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ভারতের হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুর, ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং, গভর্নিং কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য রাম মাধব, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, মির্জা আজম, অসীম কুমার উকিল, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ‘ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা অর্জনে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন’

দুই দিনব্যাপী এই মৈত্রী সংলাপের আয়োজন করেছে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ। আগামীকাল শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সংলাপ শেষ হবে।

এ সংলাপে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, চরমপন্থা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।