raj

: দুই প্রতিবেশী দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ-ভারত পঞ্চম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা-২০২২, রাজশাহী’ এখানে ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি উদযাপিত হতে যাচ্ছে।
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহী ও নাটোর জেলাতে এই আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হবে।
রাজশাহীর মেয়র ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন আজ নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের একটি চিত্র তুলে ধরে এসব তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক মিলনমেলার লোগো ও প্রোমো উন্মোচন করা হয়।
মেয়র লিটন সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের প্রায় ৬০ জনের একটি দল এই মিলনমেলায় যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিনিধি দলের সদস্যদের নগর ভবনের সবুজ প্লাজায় নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। পরে রাজশাহী কলেজ খেলার মাঠে উভয় দেশের শিল্পীদের অংশগ্রহনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
পরদিন তারা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, পুঠিয়া রাজবাড়ী ও নাটোরের উত্তরা গণভবন পরিদর্শন করবেন ।
সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজে জাতীয় ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, তাহেরপুর দুর্গা মন্দির, বাঘা শাহী মসজিদ ও হযরত শাহ মখদুম দরগাহ পরিদর্শন করবেন।
মেয়র লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার বর্তমান সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, “বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্কের কারণে প্রতিবেশী দুই দেশের মানুষ যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যটনসহ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর সুবিধা ভোগ করছে।”
তিনি বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ক্ষেত্র এবং ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারত একটি নিরাপদ দক্ষিণ এশিয়া প্রতিষ্ঠায় সকল মানুষের সুবিধার জন্য একসাথে কাজ করে যাবে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এই সম্পর্কের সূত্রপাত হয়েছে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক রেখেছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দৃঢ়তার সঙ্গে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা ভারত সরকারের অবদানকে গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি।”
লিটন বলেন, এই অংশীদারিত্ব বহুমুখী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর গত কয়েক বছর ধরে অনেক ক্ষেত্রে উভয় দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাংস্কৃতিক মিলনমেলার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।