mos

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এটিকে একটি বাড়তি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা রাশিয়াকে মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মীদের ভিত্তিহীন বহিষ্কার বন্ধ করতে এবং আমাদের মিশন পুনর্গঠনে ফলপ্রসূভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলছে, গোরম্যানের ভিসার মেয়াদ এখনও শেষ হয়নি।

ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য কমানোর বদলে বরং আরও বাড়াচ্ছে রাশিয়া – পশ্চিমা বিশ্ব মস্কোর বিরুদ্ধে এমন মারাত্মক অভিযোগ করছে৷ এমন ‘লোক দেখানো’ পদক্ষেপের আড়ালে রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিন আসলে ইউক্রেন আক্রমণের প্রস্তুতি আরও জোরালো করছেন৷ অর্থাৎ সে দেশ ‘সামরিক মহড়া’র শেষে সেনা প্রত্যাহারের যে ঘোষণা করেছে, বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তা মোটেই খাপ খাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে৷ উল্লেখ্য, আয়ারল্যান্ডে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়ার সামরিক ইউনিটগুলি নিজেদের স্বাভাবিক ঘাঁটিতে ফিরে যাবে৷

আরও পড়ুন: রুশ সেনা প্রত্যাহার, বিশ্বাস হচ্ছে না পশ্চিমাদের

একাধিক দেশ রাশিয়ার বাড়তি তৎপরতার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছে বলে দাবি করছে৷ ব্রিটেনের এক গোয়েন্দা ইউনিটের সূত্র অনুযায়ী আরও সাঁজোয়া গাড়ি, হেলিকপ্টার ও একটা গোটা অস্থায়ী হাসপাতাল স্থানান্তর করতে দেখা গেছে৷ মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, রাশিয়া গত কয়েক দিনে বাড়তি সাত হাজার সৈন্য ইউক্রেন সীমান্তে মোতায়েন করেছে৷ তবে তিনি এমন দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেন নি৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, রাশিয়ার কথা ও কাজের মধ্যে কোনো মিল নেই৷ এস্টোনিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র অনুযায়ী ইউক্রেন সীমান্তে ইতোমধ্যে আনুমানিক এক লাখ ৭০ হাজার রুশ সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে৷ আরও দশটি সামরিক ইউনিট সেখানে আনা হচ্ছে৷ সে দেশের এই সংস্থার প্রধান মিক মারান মনে করছেন, ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বোমা বর্ষণ করে রাশিয়া ইউক্রেনের কিছু অংশ দখল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ মোটকথা রাশিয়া কোনো ভূমিকা ছাড়াই আচমকা হামলা শুরু করতে পারে বলে পশ্চিমা বিশ্ব আশঙ্কা করছে৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে।