2pinaki

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ এ ঘোষণা দেন।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতীয় ক্রিপ্টো বাজার বাস্তবিক কত বড়, তা নিয়ে এখনও কোনো সরকারি তথ্য নেই। তবে অনুমান করা হচ্ছে, দেশটিতে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ক্রিপো বিনিয়োগকারী রয়েছেন। যার মোট ক্রিপ্টো হোল্ডিং প্রায় ৪০০ বিলিয়ন রুপি বা ৫ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন: চিপ সংকটে জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার ৯ মিলিয়ন পাউন্ড হারিয়েছে

ভারতের সরকার ডিজিটাল মুদ্রার নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছিল। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রাটিকে কর কাঠামোর আওতায় আনায় ডিজিটাল মুদ্রার সমর্থকরা সেসব পদক্ষেপ থেকে রেহাই পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ, জেবপে এর প্রধান নির্বাহী অবিনাশ শ্বেখর বলেন, যদিও ভার্চুয়াল ডিজিটাল সম্পদ থেকে আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর বেশি হয়ে যাচ্ছে, তবে এটি ক্রিপ্টোকে বৈধতা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সেই সঙ্গে ক্রিপ্টো ও এনএফটি এর গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে আশা জাগায়।

এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যক্তি মালিকানায় ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর ফলে দেশটিতে আর্থিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে। ফলস্বরূপ দেশটির বেশ কয়েকটি ব্যাংক ক্রিপ্টো সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।

আরও পড়ুন: ক্রিপটো কারেন্সিতে ভাগ্যবদল থাইল্যান্ডের রেস্তোরাঁর

দেশটির অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী অর্থবছরে ব্লকচেইন ও অন্যান্য সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা চালু করবে।

সীতারামণ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রার প্রবর্তন করলে ডিজিটাল অর্থনীতিতে একটি বড় অবদান রাখবে। ডিজিটাল মুদ্রা আরও দক্ষ এবং সস্তা মুদ্রা ব্যবস্থাপনার দিকে নিয়ে যাবে।