tap

: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে (ঢাদসিক) একটি মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সিটি করপোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বাসাবো শহীদ আলাউদ্দিন পার্কের সেমিনার কক্ষে ‘৩০শে জানুয়ারি বাসাবো ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ১৪৬ জন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্র সমর্পণের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন’ উপলক্ষে আয়োাজিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে নগর ভবন থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মেয়র বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্ম – আমরা শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যšত আমৃত্যু সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। আপনাদের সন্তান হিসেবে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনটি একটি মুক্তিযোদ্ধাবান্ধব সিটি করপোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের আগামী প্রজন্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাগণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুধু স্বাধীনতাই এনে দেননি, তাঁরা জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ গঠনে আজও অবদান রেখে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সšতানেরা উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”
মুক্তিযোদ্ধার সšতান হিসেবে নিজে সবসময় গর্ববোধ করেন উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিজের জীবন বাজি রেখে নতুন প্রজন্মের জন্য, বাঙালি জাতিসত্তার জন্য আপনারা একটি নতুন দেশ রচনা করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনির সšতান হিসেবে আমি সারাজীবন আপনাদের পাশে থাকতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে ১১১ জন জীবিত গেরিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৫ শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুজ্জামান বাবুলের সঞ্চালনায় ও কমান্ডার এম এ রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শফিকুল বাহার মজুমদার বক্তব্য রাখেন।