1p

): রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাধীন গণমাধ্যম দেশ-জাতির কল্যাণ ও মুক্তির আলোকবর্তিকা। আগামীকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব বেতার দিবস-২০২২’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। খবর তথ্য বিবরণীর।
বাংলাদেশ বেতারের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব বেতার দিবস ২০২২’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন । এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারি, বেতারের শ্রোতামন্ডলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বেতার একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম। একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সব ধরণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং স্বতন্ত্র বিষয়বস্তু মিডিয়া বৈচিত্রের অন্যতম অনুসঙ্গ। এ বছর বিশ্ব বেতার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সবাই মিলে বেতার শুনি, বেতারেই আস্থা রাখি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।
আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ বেতার দেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যম। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গর্বিত উত্তরসুরি বাংলাদেশ বেতার আজ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনমানুষের তথ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের অন্যতম উৎস। এছাড়াও যৌতুক ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, নারী শিক্ষার প্রসার, ডিজিটাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে জনসচেতনতা সৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন বার্তা প্রচারেও বাংলাদেশ বেতারের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে জনগণকে উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে বেগবান করতে বাংলাদেশ বেতার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে; এ প্রত্যাশা করি।’
তিনি বিশ্ব বেতার দিবস-২০২২’ উপলক্ষে নেয়া সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।