29 pinaki

মাহবুব বাশারঃ ড. কলিমউল্লাহ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণতা ছিল অসাধারণ। শনিবার, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষকালব্যপী জুম ওয়েবিনারে আলোচনা সভার ১৮১তম পর্বে সভাপতির বক্তব্যদান কালে ড. কলিমউল্লাহ একথা বলেন।
জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন ইউএন ডিজএ্যাবিলিটি রাইটস্ চ্যাম্পিয়ন আবদুস সাত্তার দুলাল এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষক মোঃ আবু সালেক খান,রংপুর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসাঃ আর্জিনা খানম ও নীলফামারীর জলঢাকা থেকে পিএইচডি গবেষক ফাতেমা-তুজ-জোহরা লিমা।
সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন ভারতের টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও কলামিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন কুমিল্লার লাকসাম থেকে প্রভাষক কামাল উদ্দিন।
সভাপতির বক্তৃতায় ড. কলিমউল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণতা ছিল অসাধারণ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আব্দুস সাত্তার দুলাল বলেন,বঙ্গবন্ধু তাঁর বিশাল ব্যক্তিত্ব দিয়ে বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়ন করেছেন। বঙ্গবন্ধু বাংলার জনগণকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতেন। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সৈনিক হলে আলোচনা সমালোচনার শুরুতেই পদত্যাগ করতেন তিনি। এটি নীতি-নৈতিকতার ব্যাপার,কঠিন ব্যক্তিত্বের ব্যাপার বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
গবেষক মোঃ আবু সালেক খান বলেন,পাঠ্যপুস্তকে জাতির পিতা, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, এমন কি জাতীয় পাখি দোয়েল সম্পর্কে ভুল তথ্য দেখে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন,দুঃখজনক হলেও সত্য যে বঙ্গবন্ধুর দর্শন,বঙ্গবন্ধুর ঔদার্য আমরা ভুলতে বসেছি। ধর্মের নামে সংকীর্ণতা কোনভাবেই মেনে নেননি বঙ্গবন্ধু। এই দিক থেকে বিবেচনা করলে আমরা সময়ের চেয়ে অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেকটা একাই লড়ে যাচ্ছেন।
আর্জিনা খানম বলেন, আমরা যেদিন বঙ্গবন্ধুর দর্শনের প্রতিফলন ঘটাতে পারব সেদিন বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা প্রদর্শন করতে পারব।
কামাল উদ্দিন শিক্ষামন্ত্রির সমালোচনা করে বলেন,শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সহ চাঁদপুরে নবগঠিত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রির ভুমিকা অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।
দিপু সিদ্দদিকী বলেন,বঙ্গবন্ধু গণতান্ত্রিক এবং সমতার ভিত্তিতে মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যমে তার জনগণকে ক্ষমতাবান করতে চেয়েছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন অসাধারণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। যিনি একজন লড়াকু নেতা হিসেবে জনগণের স্বাধীনতা ও সুখের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জনগণের সত্যিকারের বন্ধু ।
সভাটি সঞ্চালনা করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা এর সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।
এছাড়াও সভায় অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক কাজী ফারজানা ইয়াসমিন ও সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ইএন রুমা।