bori

তবে পদত্যাগ করবেন না বলে আবারও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বরিস জনসন।

কোভিড বিধিনিষেধের মধ্যে মদের আসর আয়োজন করায় বুধবার হাউস অব কমন্সে নিজ দল কনজারভেটিভ দলের আইনপ্রণেতা ও সাবেক মন্ত্রী ডেভিড ডেভিসের তোপের মুখে পড়েন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের শীর্ষ স্থানে থেকে বিধিনিষেধ ভঙ্গ করায় জনগণের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষমতাসীন দল ছেড়ে বিরোধী লেবার শিবিরে ভিড়েছেন বুরি সাউথের এমপি ক্রিশ্চিয়ান ওয়েকফোর্ড। বরিসের আচরণকে মর্যাদাহানিকর আখ্যা দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানান ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মত এমপি নির্বাচিত হওয়া ওয়েকফোর্ড।

নিজদলসহ বিরোধীদের তোপের মুখে থাকা প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কি না এমন প্রশ্নে সরাসরি না করে দেন বরিস জনসন। কোভিডবিধি ভাঙায় ফের ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। পদত্যাগ না করার স্বপক্ষে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডসহ কোভিড মোকাবিলায় তার সরকারের নেওয়া নানা ফিরিস্তি তুলে ধরেন বরিস।

আরও পড়ুন: মদের আসরের খেসারত দিচ্ছেন বরিস জনসন

বরিস জনসন বলেন, আমি আবারো সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তবে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা জানেন একটি তদন্ত চলমান রয়েছে। এরপরও বারবার পদত্যাগের দাবি তুলে হাউস অব কমন্সের সময় নষ্ট করা হচ্ছে।

তবে বিরোধী নেতা কেইর স্টারমার বরিসের দাবিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করেছেন। বরিস জনসন বারবার ক্ষমা চাইলেও তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে বেশ কয়েকজন এমপি এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে চিঠি লেখার প্রস্তুতি নিয়েছেন। এরমধ্যে ২০১৯ সালে নির্বাচিত টরি এমপিদের মধ্যে অন্তত ১০ জন বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানাতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।