lan

একটা নগর কিভাবে কখন কোন প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠে, কতটুকু নাগরিক সুবিধা থাকলে তাকে আদর্শ নগর বলা যায়, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর সেই মাপকাঠিতে খোঁজা হচ্ছে ঢাকাকে।

ততদিনে এই নগরীর রাস্তাঘাট হয়েছে আরও সরু, নদীনালা খাল জলাশয় চলে গেছে দখলদারের কবলে। শহরের আয়তন বেড়েছে যতটা তার চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে মানুষ।

এমন দূরবস্থা থেকে রাজধানীকে রক্ষায় ৫ বছর আগে সরকার হাতে নেয় বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা-ড্যাপ। কিন্তু বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেও আক্ষেপ নগর পরিকল্পনাবিদদের। আর জনপ্রতিনিধিরা মনে করেন, শুধু রাজউক নয়, সরকারের সব সংস্থারই রয়েছে সক্ষমতার অভাব।

তারা বলছেন, ঢাকা শহরে কয়েকটি সিটমহল আছে। যে সিটমহলগুলোতে সিটি কর্পোরেশন, রাজউকসহ প্রায় কোনো মন্ত্রণালয়েরই অধিকার নেই। সেগুলো ঢাকা শহরের কেন্দ্রবিন্দুতেই অবস্থিত। আর এই জায়গাগুলোতে কারও প্রবেশ অধিকার নেই।

আরও পড়ুন: আড়াই হাজার ডলার ছাড়িয়েছে মাথাপিছু আয়

হোটেল সোনারগাঁওয়ে ড্যাপ বাস্তবায়ন নিয়ে জাতীয় সেমিনারেই উঠে আসে এসব পর্যালোচনা। এসময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেরির কারণে দেশ হারাচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগ। যদিও ডিসেম্বরের মধ্যেই বাস্তবায়ন শুরুর আশা এলজিইডি মন্ত্রীর।

সালমান এফ রহমান বলেন, সমালোচনা করাটা সহজ। কিন্তু কাজ করাটাই কঠিন। নিজ নিজ জায়গা থেকে সবাই সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু কাজ করাটাই হলো আসল ব্যাপার। তাই সবাইকে আহ্বান জানাই, সবাই যেন সম্মিলিতভাবে কাজগুলো বাস্তবায়ন করি।

ড্যাপ বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।