bnp

কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা বলেন, ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা বন্ধ করতে না পারার দায় নিতে হবে সরকারকে।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপি।

সেই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। কিন্তু বিশ মিনিট পর হঠাৎই জানিয়ে দেওয়া হয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন না বিএনপি মহাসচিব। এরপর দলের ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম শুরু করেন লিফলেট বিতরণ। তাদের সঙ্গে ছিলেন মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের হাতে গোনা কয়েকজন নেতাকর্মী। ১০ মিনিটে মাত্র ৪টি লিফলেট বিতরণ করে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় কর্মসূচির।

আরও পড়ুন: সিসিইউতে খালেদা জিয়া

পুলিশের কোনোরকম বাধা ছাড়াই দলীয় কার্যালয়র সামনে থেকে কাকরাইলের নাইটেঙ্গল মোড় পর্যন্ত ১৩০ মিটার দুই রিকশাচালক, এক ভ্রাম্যমাণ দোকানি ও এক পথচারীর হাতে লিফলেট দিয়ে কর্মসূচি শেষ করায় অবাক হন খোদ নেতাকর্মীরাও।

এরপর গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সরকারের সমালোচনা করে বাড়তি দামের জন্য ভতুর্কি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির দুই সিনিয়র নেতা।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময় জনগণের স্বার্থে ভতুর্কি দিতে হবে। এটাই আমাদের দাবি।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে, মানুষ আজ দিশেহারা, বাজারে গিয়ে মানুষ দেখেছে সীমাহীনভাবে দ্রব্যের দাম বাড়ছে।

অন্যদিকে, দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা রোধে সরকার ব্যর্থ।

তিনি বলেন, গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ফ্যাসিবাদী কায়দায় আজকে তারা দেশের মানুষের গণতন্ত্র হত্যা করছে সরকার।

অনুষ্ঠানে আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দেওয়ার দাবিও জানান বিএনপি নেতারা।