pm

শেখ হাসিনা ছাড়া বাকি চারজন হলেন—চীনের জলবায়ু আলোচক শি জেনহুয়া, সৌদি আরবের আয়মান সাসলি, ব্রিটিশমন্ত্রী অলোক শর্মা, স্পেনের বাস্তুসংস্থান পরিবর্তনমন্ত্রী তেরেসা রিবেরা।

বিবিসি বলছে, জলবায়ু সম্মেলনের সফলতা কিংবা ব্যর্থতা এই পাঁচ আলোচকের ওপর নির্ভর করছে। কারণ এক্ষেত্রে তাদের বড় প্রভাব রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে থাকা ৪৮টি দেশের গ্রুপ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের পক্ষে কথা বলেছেন তিনি।

খবরে বলা হয়, শেখ হাসিনা একজন অভিজ্ঞ ও স্পষ্টভাষী রাজনীতিবিদ; যিনি জলবায়ু পরিবর্তনের তরতাজা অভিজ্ঞতা কপ২৬ সম্মেলনে তুলে ধরবেন। গত বছর বাংলাদেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। সেই সময় দেশটিতে বন্যায় ১০ লাখ বাড়ি-ঘর হুমকির মুখে পড়ে।

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. জেন অ্যালান বলেন, শেখ হাসিনার মতো লোকজন জলবায়ু পরিবর্তনের এক মানবিক মুখ। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ইতিমধ্যে কী অবস্থায় চলে গেছে, তা বুঝতে তিনি বিশ্ব নেতাদের সাহায্য করতে পারেন।

আরও পড়ুন: ‘জলবায়ু সংকটে বিশ্ব নেতাদের সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে’

বিবিসি বলছে, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে থাকা সত্ত্বেও জলবায়ুর ঝুঁকি ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রুপের আলোচনায় তাদের শক্তিশালী অবস্থানের রেকর্ড রয়েছে।

ড. অ্যালান বলেন, কথা বলার ক্ষেত্রে এসব দেশ তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার চেয়েও বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে। কারণ তাদের শক্তিশালী এক নৈতিক কণ্ঠস্বর আছে। তাদের সিদ্ধান্তগুলোও ঐক্যমতের ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠনগুলোর মাধ্যমে অগ্রসর সিদ্ধান্ত নিতে ভালো সমঝোতায় পৌঁছানোরও সক্ষমতা রয়েছে তাদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্লাসগো বহরের সদস্য ও বাংলাদেশি আলোচক কামরুল চৌধুরীর মতে, একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো গ্লাসগোতে এসেছে। এসব দেশের ১০০ কোটি মানুষ জলবায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, ধনী দেশগুলোকে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বাধ্য করার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ করতে চাই।