kol

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সেখানকার বিধানসভার চারটি আসনে ভোট গণনা হয়েছে। কোচবিহারের দিনহাটা, নদীয়ার শান্তিপুরসহ কোনো আসনেই বিজেপি গত এপ্রিলের পাওয়া ভোটের কাছেও যেতে পারেনি। একটি বাদে বাকি তিনটিতে দলটির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

এদিকে আরও ৪টি আসনে জয় নিশ্চিত করায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভায় আসন সংখ্যা বেড়ে ২১৭-এ উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে দুটি কমে বিজেপির বর্তমান আসন ৭৫টি।

যদিও ইতোমধ্যেই বিজেপির নির্বাচিত ৫ বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এতে বিধানসভায় এখন থেকে বিজেপিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন ৭০ সদস্য। নদীয়ার শান্তিপুর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগার গোসাবা, কোচবিহারের দিনহাটা এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা—এই চার আসনের উপনির্বাচনের সবগুলোতেই জয় পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দল।

শান্তিপুরে বিজেপি ২৩ শতাংশ ভোট পেলেও হেরেছে ৬০ হাজারেরও বেশি ভোটে। খড়দহে ব্যবধান প্রায় লাখের কাছাকাছি। এতে বিজেপিকে বিদ্রূপ করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক ব্যানার্জি কালীপূজার শব্দহীন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তবে আসামে বেশ ভালো করেছে বিজেপি। পাঁচটির মধ্যে তিনটি আসনে তারা বড় ব্যবধানে জিতেছে। দুটিতে তাদের জোটসঙ্গী ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল জয়ী হয়েছে।

বিগত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস, মুসলিমপ্রধান দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ) ও বোরো পিপলস ফ্রন্ট জোট বেঁধেছিল। তখন পাঁচটির মধ্যে চারটিতে জিতেছিল তারা।

আরও পড়ুন: আতশবাজি বেচাকেনা বন্ধ করল পশ্চিমবঙ্গের হাইকোর্ট

এবার তারা জোট না করে সবগুলোতে হেরেছে। কংগ্রেস ও বিজেপির শরিক দলকে বাদ দিয়ে শুধু দুই প্রধান দলের যদি মূল্যায়ন করা হয়, তাহলে ৩০টি বিধানসভা আসনে ৮টিতে সরাসরি জিতেছে কংগ্রেস, ৭টিতে বিজেপি। বাকিগুলোতে কোনো স্বাধীন দল বা দুই প্রধান দলের শরিকেরা।

হরিয়ানা রাজ্যটি বিজেপির শাসনে থাকলেও সেখানে বিজেপিবিরোধী দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দল জিতেছে। দলের নেতা অভয় চাউথালা এই বিজয়কে কৃষক সংগ্রামের জয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হিমাচলে তিনটি আসনের সবগুলোতে জিতেছে কংগ্রেস।