ig

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে বরিশাল শহর থেকে বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, ‘ফকিরহাট উপজেলার সিংগাতী এলাকার প্রান্ত শীল বাপ্পিকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দশ লক্ষ টাকা চুক্তি করে প্রতারক স্বপন সিংহসহ চারজন। চাকুরী প্রদানের জন্য প্রতারক চক্রটি নিজেদের পুলিশ মহাপরিদর্শকের ঘনিষ্ঠ লোক বলে পরিচয় দেয়। বাপ্পির পরিবারের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও একটি ফাকা চেক নেয় তারা। পুলিশ সুপারের বরাবর কনস্টেবল পদে আবেদনপত্রের একটি কপির পাশে পুলিশ মহাপরিদর্শকের নকল সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে বাপ্পির পরিবারের কাছে দেয়। ওই আবেদনটি খুব গোপনে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার বরাবর দেওয়ার জন্য বলে। ‘

‘প্রতারকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাপ্পির পক্ষ থেকে আবেদনটি আমাদের দপ্তরে জমা দেয়। আমরা আবেদনটি যাচাই বাছাই করে জানতে পারি পুলিশ মহাপরিদর্শকের সীল ও স্বাক্ষর জাল। পরবর্তীতে বাপ্পির মা যুথকা শীলের অভিযোগের ভিত্তিতে আনরা স্বপন সিংহকে গ্রেফতার করেছি। এই চক্রের সাথে আরও তিনজন জড়িত রয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে।’

আরও পড়ুন: ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে মাকে হত্যা, ছেলের ফাঁসি

পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক কখনও কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেন না। কনস্টেবল নিয়োগ হবে যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী। কোন সুপারিশে চাকুরীর সুযোগ নেই। কেউ কারও মিষ্টি কথায় টাকা দিয়ে প্রতারিত না হওয়ার জন্য সকলকে সর্তক থাকার আহবান জানান।

এসময়, বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রেজাউল করিমসহ পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার স্বপন সিংহ পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া গ্রামের বিরেন্দ্রনাথ সিংহের ছেলে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বপন সিংহকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।