ind

বাঁধ খুলে দেওয়ার ব্যাপারে নিচু এলাকার জনগোষ্ঠীকে সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। এর ফলে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ কিউবিক মিটার করে পানি বের হচ্ছে। এরইমধ্যে ৬০টি পরিবারকে নিচু এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সবশেষ ২০১৮ সালে বড় বন্যার কবলে পড়ে ইদুক্কি বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছিল।

ভারি বর্ষণে কেরালায় গতকাল থেকে আরও দুই থেকে তিনটি নদীরবাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এবার উত্তরাখণ্ডে বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু

রাজ্যজুড়ে ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে চার হাজারের বেশি পরিবারকে নেওয়া হয়েছে।

আলী নামের একজন আশ্রয়কেন্দ্রে আসা এক ব্যক্তি বলেন, ২০১৮ সালের বন্যাতেই আমি আমার ঘরবাড়ি হারিয়েছি। এটাই আমাদের পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতি বোঝানো কঠিন। বাড়িতে পানি ঢোকে, ঘুমানো যায় না।

কয়েকদিন ধরে চলমান বৃষ্টি, বন্যা আর ভূমিধসে রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত ৩৭ জন মারা গেছেন।