10

আইরিন নাহার/প্রেসওয়াচঃ ড. কলিমউল্লাহ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে তরুণদের এগিয়ে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও জীবনাদর্শে তরুণ প্রজন্মেও জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা রয়েছে যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার, ২৩ আগস্ট তারিখে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ওয়েবেনার জুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ রকথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

 জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও ;র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. নীমচন্দ্র ভৌমিক। ড. ভৌমিক,ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক উপদেষ্টা ও কলামিস্ট সুবীর চৌধুরী চৌধুরী,রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র  সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান দিপু সিদ্দিকী, ভারতের কলামিস্ট ও গবেষক পিনাকী ভট্টাচার্য,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ও জানিপপ সিলেটের সহ-সমন্বয়ক প্রফেসর ড. আশ্রাফুল করিম,জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলা্‌ম,ভারত থেকে সংযুক্ত ছিলেন উর্বশী গুপ্তা ,  গবেষক শামসুন্নাহার লাভলী,লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সৈনিক মোঃ মাসুদ আলম মিল্টন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাজমা আক্তার।

 শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক উপদেষ্টা ও কলামিস্ট সুবীর চৌধুরী চৌধুরী বলেন, বাঙালীর আত্নপরিচয় ও স্বকীয়তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান অপরিসীম। বাঙলীর আত্ননিয়ন্ত্রণ ও আত্নপরিচয়কে লঘু করার জন্য ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাশে থাকাটা ভারতের জন্য গর্বের বিষয়।

 আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৭৫ এর প্রতিরোধযোদ্ধা সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. নীমচন্দ্র ভৌমিক। ড. ভৌমিক বলেন, আগস্ট মাস বাঙালী জাতির জন্য শোকের মাস। এ মাসে বাঙালী জাতি বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছে। বাঙালী জাতিকে শোষণের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধু আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন।

রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র  সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান দিপু সিদ্দিকী বলেন,বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ও দ্বিজাতিতত্ত্বের   বিভেদ নীতিকে বাংলাদেশের মানুষ কবর দিয়েছিলো । তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়াস শুরু হয় ৭৫ এর ১৫ আগস্ট এর পর থেকে। ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে দেশে সুশাসনের পথ সুগম করে । তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মাসব্যাপী আলোচনা আয়োজন করার জন্য জানিপপকে ধন্যবাদ জানান।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ও জানিপপ সিলেটের সহ-সমন্বয়ক প্রফেসর ড. আশ্রাফুল করিম বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চে ভাষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯ বছর বয়সেই নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করেছিলেন। বাঙালী জাতি ও মাতৃভাষার প্রতি ছিলো তাঁর অগাধ ভালবাসা। ভারতের কলামিস্ট ও গবেষক পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, পাকিস্তানের শাষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।

আলোচনায় সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন গোলাম মুর্শেদ। তিনি বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য উপস্থাপন করেন জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার ও গবেষক শামসুন্নাহার লাভলী, এবং ভারত থেকে সংযুক্ত ছিলেন উর্বশী গুপ্তা। অপরদিকে অত্র আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার মোঃ কামাল উদ্দিন, জানিপপ ন্যাশনাল ভলেনটিয়ার, লেখক, ও গবেষক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সৈনিক মোঃ মাসুদ আলম মিল্টন, এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাজমা আক্তার।