naz1

Posted by: | Posted on: October 22, 2020

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর এর চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ১৪ ই জুন দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও । বর্তমান উপাচার্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচিত ও সবার পরিচিত একটি মুখ। স্যারের খুব কাছ থেকে ১৫ টি মাস কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে বিন্দুমাত্র আলোকপাত করার অভিপ্রায়ে সামান্য কিছু তুলে ধরবো।

কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী একজন উপাচার্য যার নেতৃত্বে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর আজ সবার কাছে ব্র্যান্ড হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে। কাজ কি, কাজের গুরুত্ব কি তা স্যারের কাছ থেকে জানার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। যিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২২ ঘণ্টা কাজের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন। বর্তমান উপাচার্য মহোদয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর এর প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের সুফল সবার মাঝে সমাদৃত। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ছিল কিন্তু বর্তমান উপাচার্যের উদার মানসিকতার কারণে সব সমস্যার সমাধান হচ্ছে ও হয়েছে। আমার দেখা সবচেয়ে পজিটিভ একজন উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও । যেসকল সমস্যা আমরা বছরের পর বছর সমাধানে ব্যর্থ হয়েছি স্যার কে বলা মাত্রই তা নিমিষেই সুরাহা করে দিয়েছেন এবং আমরা সমাধান পেয়েছি বলে আমার বিশ্বাস।

দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই আমরা এমন একজন উপাচার্য পেয়েছি,যার বিকল্প বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর সামনের দিনগুলোতে এরকম পজিটিভ উপাচার্য পাবে কিনা আমি সন্দিহান। আমরা কতটুকু তাকে চিনতে পেরেছি, সে দায়িত্ব আমাদের উপরই বর্তায়। বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বৃক্ষ রোপণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কে সবুজের সমারোহে পরিণত করেছেন। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আজ জীব বৈচিত্র্যের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাস এ নানাপ্রকার দুর্লভ পশুপাখি দেখা যাচ্ছে। আভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট উন্নয়নের মাধ্যমে এ সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছেন যা কিছু বছর আগেও ছিল না। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন বসার পয়েন্টে নির্মাণ করে ক্যাম্পাসকে অধিক দৃষ্টিনন্দন করেছেন। ক্যাম্পাসের উন্নয়নের জন্য স্যারের নাম সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।